বিজেপি তারিখ-রাজনীতির পরোয়া করে না, শুভেন্দু-দিলীপের সম্পর্কে ফিরল শৈত্য
বিজেপি তারিখ-রাজনীতির পরোয়া করে না, শুভেন্দু-দিলীপের সম্পর্কে ফিরল শৈত্য
শুভেন্দু অধিকারী ডিসেম্বর-ধামাকার সাসপেন্স তৈরি করে তারিখ রাজনীতির সূচনা করেছিলেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর সেই তারিখ-রাজনীতিকে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় আসার আগে শুভেন্দু-দিলীপের এই তরজা খানিক বন্ধ থাকলেও আবার তা শুরু হল।

দিলীপ ঘোষ ফের শুভেন্দুর সমালোচক
দিলীপ ঘোষ ফের সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারীর তারিখ রাজনীতি নিয়ে। দিলীপ ঘোষ এদিন স্পষ্ট করে ফের জানিয়ে দিলেন, বিজেপি কোনও তারিখের উপর নির্ভর করে না। রবিবার বর্ধমানে বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ ফের শুভেন্দুর সমালোচনা করেন, তবে ঘুরিয়ে।

তারিখ-রাজনীতি কি ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে?
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, শুভেন্দুর তারিখ-রাজনীতি বিজেপির ভাবমূর্তি কি ক্ষুণ্ণ করেছে? সেই প্রশ্নে জবাব দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপি কোনও তারিখের উপরেই নির্ভর করে না। কোনও কোর্ট-কাছারির উপর নির্ভরশীল নয় বিজেপি। বিজেপি বাংলার মানুষের উপর ভরসা করে। আর আমরা জানি, বাংলার মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে ডিসেম্বর তরজা
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে ডিসেম্বর তরজা- সমস্ত কিছুতেই দিলীপ ঘোষের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। দিলীপ ঘোষ শুভেন্দুর তারিখ রাজনীতিকে কটাক্ষ করে বলেন, শীতকালে নলেন গুড় হয় শুনেছি।

তারিখ পে তারিখ, কোনও তারিখ-রাজনীতি নয়
শুভেন্দুও হাজরার সভা থেকে প্রাতঃভ্রমণ তথা মর্নিংওয়াক দিলীপ ঘোষকে খোঁটা দেন। তার পাল্টা দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করেই বলেন প্রাতঃভ্রমণ করার দম লাগে। শুভেন্দুর তার্খ রাজনীতি প্রসঙ্গে দিলীপকে বলতে শোনা যায়, তারিখ পে তারিখ। দিলীপ ঘোষ কোনও তারিখের রাজনীতি করে না।

সম্পর্কের শৈত্য শেষ হল কি!
শীত পড়তে না পড়তেই নলেন গুড় আর মর্নিং ওয়ার্ক বিতর্ক শুভেন্দু-দিলীপের সম্পর্কে চিড় ধরিয়েছিল। কিন্তু বাংলায় অমিত শাহ আসার আগেই হঠাৎ বিজেপির ত্রিমূর্তিকে এক মঞ্চে দেখা যায়। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষকে বসতে দেখা যায়। শুরু হয়ে যায় চর্চা, তবে কি সম্পর্কের শৈত্য এবার শেষ হবে?

মৃদুমন্দ দখিনা বাতাস ফের উধাও
রাজ্য রাজনীতিতে তাই অবধারিত সেই প্রশ্নটা তখনই উঠে গিয়েছিল। মঞ্চে সখ্যতা দেখালও আসলে তাঁদের সম্পর্কের শৈত্য শেষ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গিয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল, অমিত শাহ কি পারবেন বিজেপি নেতৃত্বের অন্তর্কলহ দূর করে দলকে সঙ্ঘবদ্ধ রাখতে? ফের দিলীপ ঘোষ তারিখ রাজনীতি শুরু করায় স্পষ্ট হয়ে গেল দূরত্ব রয়েই গিয়েছে তাঁদের। মৃদুমন্দ দখিনা বাতাসের যে আবহ তৈরি হয়েছিল বিজেপিতে, তা ফের উধাও।












Click it and Unblock the Notifications