সিপিএমে বোধোদয়! পাখির চোখ পঞ্চায়েতে শূন্য থেকে শুরু করে জনসংযোগে ভরসা

সিপিএমে বোধোদয়! পাখির চোখ পঞ্চায়েতে শূন্য থেকে শুরু করে জনসংযোগে ভরসা

সিপিএম ঠেকে শিখেছে। দেরিতে হলেও বোধোদয় হয়েছে বাংলার লাল পার্টি নেতৃত্বের। তাই রাজ্যে ফের প্রাসঙ্গিকতা ফেরাতে জনতার দুয়ারে কড়া নাড়ছেন তাঁরা। চিরাচরিত ঢঙেই তাঁরা অনুদান সংগ্রহ করছেন। মানুষের পাশে থাকতে আশ্বাস দিচ্ছেন। বলা যায়, এক ঢিলে তাঁরা দু-পাখি মারতে চাইছেন। জনসংযোগের পাশাপাশি তাঁরা ফেরাতে চাইছেন আর্থিক স্বচ্ছলতাও।

আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন সিপিএম নেতারা

আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন সিপিএম নেতারা

সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। এই ভোটকেই সিপিএম পাখির চোখ করেছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে দুয়ার দুয়ারে পৌঁছে তাঁরা আবার সক্রিয় হতে চাইছেন। সম্প্রতি হুগলিতে ভালো সাড়া পেয়েছে সিপিএম নেতৃত্ব। মানুষ তাঁদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এই ছবিতে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন সিপিএম নেতারা।

রাজ্যে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টায় ব্রতী সিপিএম

রাজ্যে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টায় ব্রতী সিপিএম

শুধু হুগলি নয়, রাজ্যের সমস্ত জেলাতেই কড়া নাড়ছে সিপিএম। সিপিএম নেতৃত্ব ফের সক্রিয় হয়েছে। মানুষের কাছে গিয়ে তাঁরা জানাচ্ছেন তাঁদের কথা, শুনছেন মানুষের আর্জি। বার্তা দিচ্ছেন পাশে থাকার। একুশের ভোটে বিধানসভা শূন্য হয়ে তাঁরা খানিক থমকে গেলেও হাল ছাড়ছেন না। তাঁরা আবার শক্তি বাড়িয়ে রাজ্যে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টায় ব্রতী।

ফের সামনের সারিতে আসতে মরিয়া লাল পার্টি

ফের সামনের সারিতে আসতে মরিয়া লাল পার্টি

২০১১ সালে পর্যন্ত রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল সিপিএম। তারপর ২০১৬ সাল পর্যন্ত তাঁরা বিরোধী তকমা ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছিল। কিন্তু ২০১৬-র পর থেকেই সিপিএম পিছু হটতে শুরু করে। আর তাদের জায়গা নিতে শুরু করে বিজেপি। ক্রমে ক্রমে বিজেপি এখন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। সিপিএম পিছিয়ে গিয়েছে অনেক। এই অবস্থায় ফের সামনের সারিতে আসতে মরিয়া লাল পার্টি।

জনসংযোগের সঙ্গে করা হয়েছে অর্থ সংগ্রহও

জনসংযোগের সঙ্গে করা হয়েছে অর্থ সংগ্রহও

সিপিএম সম্প্রতি অর্থ সংগ্রহের কর্মসূচি নিয়েছে। অর্থা না হলে বিজেপি-তৃণমূলকে টেক্কা দেওয়া যাবে না। কিন্তু তার আড়ালে জন সমর্থন মেপে নিতে চাইছে সিপিএম। হুগলিতে তেমনই কর্মসূচি পালন করা হল জেলার ১৮টি ব্লকে, ২০৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ১২টি পুরসভা ও একটি পুরনিগমের পাড়ায় পাড়ায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অভিযান চালানো হয়েছিল। জনসংযোগ করা হয়েছে, দল পরিচালনার জন্য অর্থ সংগ্রহ করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বিজেপি নয়, বাংলায় বিকল্প সিপিএমই

বিজেপি নয়, বাংলায় বিকল্প সিপিএমই

সিপিএমের জেলা নেতৃত্ব থেকে শুরু করে রাজ্য নেতৃত্ব আশাবাদী। তাঁরা যা ভেবেছিলেন, তার থেকে বেশি মানুষের সাড়া পেয়েছেন। একুশের আগে মানুষের দুয়ারে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সিপিএমের নেতারা, তখন মানুষ তাঁদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু এবার তাঁরা সাড়া দিয়েছেন। কেউ মুখ ফিরিয়ে নেননি। বাংলার মানুষের একটা বড় অংশ ভাবতে শুরু করেছে, বিজেপি নয় বাংলায় বিকল্প সিপিএমই।

মানুষের মনে দাগ কাটতে চাইছে সিপিএম

মানুষের মনে দাগ কাটতে চাইছে সিপিএম

পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাঁরা মানুষের মনে দাগ কাটতে চাইছে। রান্নার গ্যাসের দাম, তেলের দাম, যেভাবে বেড়েছে, তাতে সাধারণ মানুষ ভুক্তভোগী। আবার গ্রামে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ। বিকল্প কোনও কাজ নেই। পঞ্চায়েতে লুঠতরাজ চলছে। এই অভিযান থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগে মানুষের মনে দাগ কাটতে অগাস্ট মাস থেকে তারা পঞ্চায়েত আন্দোলন শুরু হবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+