এক ভোটে দু-রকমের তালিকা! একমাত্র বাংলাতেই 'ভিন্ন' পরিচয়পত্রে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে ভোট
প্রায় সব রাজ্যেই সেই রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে সভাপতি নির্বাচনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। একই পথে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আয়োজন হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের দফতর মৌলালির বিধান ভবনে।
প্রায় সব রাজ্যেই সেই রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে সভাপতি নির্বাচনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। একই পথে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আয়োজন হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের দফতর মৌলালির বিধান ভবনে। তবে সেখানে ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। যে কারণে গণ্ডগোলের আশঙ্কায় বিধান ভবনের সামনে পুলিশ মোতায়েনের আবেদন জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস।

ভিন্ন পরিচয়পত্রে ভোট বাংলায়
সব রাজ্যে যখন প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্যরা এআইসিসির পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোট কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন, সেখানে বাংলায় ভোট হবে আধার আর ভোটার কার্ড দেখিয়ে। ।

প্রকৃত ভোটার আর ভোটার তালিকার তফাত
এআইসিসির তরফে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ্ব করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে অব্যবস্থা বিধান ভবনে। বাংলায় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৫৫০ হলেও, মল্লিকার্জুন খারগে এবং শশী তারুরের হাতে যে ভোটার তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে, সেখানে ৮৭২ জনের নাম রয়েছে। তবে রাজ্য কংগ্রেসের একটি অংশের দাবি, কংগ্রেস সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও অনেক ব্লক সভাপতির নাম রয়েছে তাদেরই ভোটার তালিকায়।

ভোট চেয়ে বার্তা ২ প্রার্থীর
মল্লিকার্জুন খারগে এবং শশী তারুর ভোটার তালিকায় নাম থাকা সবার কাছে বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু তালিকায় নাম না থাকলেও দুই প্রার্থীরই বার্তা পেয়েছেন ৩০০-০র বেশি পিসিসি সদস্য। ফলে তাঁদের অনেকেই ভোট দিতে আসবেন। আর এলেই জানতে পারবেন, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নেই। যার জেরে সেই সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা।

সমন্বয়ের অভাবে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে দুটি তালিকা ভোটার নেতা-কর্মীদের। অনেকেই ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারবেন, তাঁদের ভোটাধিকার নেই। অন্যদিকে এআইসিসির পরিচয়পত্রও অনেক ভোটারের কাছে পৌঁছয়নি। সেই কারণে পরিস্থিতির সামাল দিতে ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। এর জন্য সমন্বয়ের অভাবকেই দায়ী করা হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে।

গণ্ডগোলের আশঙ্কা
সভাপতি নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেসের ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী গোষ্ঠীর নেতারা ভোট দিতে আসবেন বিধন ভবনে। সেই সময় ভোটার তালিকা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোল শুরু হয়ে যেতে পারে। ফলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে অনেক আগেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications