Chandrayaan 3: শুধু ইসরো নয়, যাঁরা না থাকলে সম্ভব হত না চন্দ্রযান-৩র চাঁদ অভিযান
অবশেষে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ। চাঁেদর পাহাড়ের দেশ থেকে সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ইসরোর সদর দফতরে তখন বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। অসাধ্য সাধন করার আনন্দে আত্মহারা গোটা দেশ। কিন্তু জানেন কি এই মুন মিশনের নেপথ্যে চুপি সারে সাহায্য করেছে ভারতের একাধিক বাণিজ্য সংস্থা।
শুধু ইসরোর বিজ্ঞানীরাই নন ভারতের চাঁদ অভিযানের সমান কৃতিত্ব তাঁদেরও। তারা সাহায্য না করলে চন্দ্রযান-৩ আজ চাঁদে পৌঁছতে পারত না। একাধিক ভারতীয় বাণিজ্যিক সংস্থা ইসরোকে এর জন্য সাহায্য করেছে। যার মধ্যে সবার আগে যার নাম করতেই হয় সেটি লার্সেন অ্যান্ড টুবরো। চন্দ্রযান-৩র হার্ডওয়ারের যাবতীয় সরঞ্জাম এই সংস্থার এরোস্পেস প্রস্তুতকারী বিভিগ সরবরাহ করেেছ। এমনকী চন্দ্রযান-৩ লঞ্চিংয়ের সিস্টেম সরবরাহতেও এই সংস্থা কাজ করেছে।

এর পরেই যে কোম্পানির নাম করতে হয় সেটা হল হিন্দুস্তান এরোনটিকস বা হ্যাল। এরা চন্দ্রযান-৩ তৈরিতে ইসরোকে একাধিক সামগ্রি সরবরাহ করেছে। মেটালিক এবং কম্পোিজট স্ট্রাকচার থেকে শুরু করে প্রপিলেন্ট ট্যাঙ্ক,রোভার এবং ল্যান্ডারের বাস স্ট্রাকচার সবটাই তৈরি করে দিয়েছে তারা। তার সঙ্গে সাহায্য করেছে আরও এক সংস্থা। যার নাম ভারত হেভি ইলেকট্রিকাল বা ভেল। চন্দ্রযান-৩র জন্য ব্যাটারি তৈরি করে দিয়েছে তারা।
চন্দ্রযান-৩কে মহাকাশে পাঠানোর জন্য যে পিএসএলভি রকেট ব্যবহার করা হয়েছে তার একাধিক সামগ্রি সরবরাহ করেছে ওয়ালচাঁদনগর ইন্ডাস্ট্রিস। ইসরোকে এই সংস্থা নানা ভাবে সহযোগিতা করে আসছে ১৯৯৩ সাল থেকে। এখনও পর্যন্ত ৪৮টি লঞ্চিংয়ে ইসরোকে সাহায্য করেছে তারা। পিএসএলভির ফ্লেক্স নজল কন্ট্রোল, ফ্লেক্স নজলের হার্ডওয়ার তৈরি করে দিয়েছে এই সংস্থা।
এমটিএআর টেকনোলজিসও সাহায্য করেছে ইসরোকে। এই সংস্থা চন্দ্রযান-৩র ইঞ্জিন এবং বুস্টার পাম্প তৈরি করে দিয়েছে। এছাড়া গোদরেজ এরোস্পেস তৈরি করে দিয়েছে ইঞ্জিন থ্রাস্ট চেম্বার। CE20 ইঞ্জিন থ্রাস্ট চেম্বার তৈরি করে দিয়েছে এই সংস্থা। তার সঙ্গে সুরাতের হিমসন সিরামিক চন্দ্রযান-৩র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস তৈরি করে দিয়েছে। ৩০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও যাতে চন্দ্রযান-৩র কোনও ক্ষতি না হয় তার বর্ম তৈরি করে দিয়েছে এই কোম্পানি।












Click it and Unblock the Notifications