নজরে ইউনিয়ন বাজেট, কী প্রত্যাশা করছেন দেশের আম জনতা?
গোটা দেশ জুড়ে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। এই পরিস্থিতিতেই আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট। এবার প্রথম ডিজিটালি বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ভারতের অর্থনৈতিক বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে চলেছে তারই অপেক্ষায় রয়েছে দেশবাসী।

বাজেট নিয়ে সমীক্ষা
চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে কি কি প্রত্যাশা থাকছে তা নিয়ে সম্প্রতি একটি সমীক্ষা করা হয়েছে।
সমীক্ষা রিপোর্ট শিল্প বিশেষজ্ঞ, ব্যক্তিগত করদাতা এবং কর্পোরেট ভারতের আশা ও আকাঙ্খাগুলির নজর দেয়। ন্যাশনাল ম্যানেজিং পার্টনার বিশাল ভাসাল সমীক্ষার রিপোর্ট পেয়ে বলেছেন,করদাতাদের প্রত্যাশা এবং আর্থিক বিচক্ষণতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সরকারের পক্ষে কঠিন।
কোন কোন বিষয়ে থাকবে নজর?
আসন্ন বাজেট নিয়ে যে বিষয়ের উপর নজর দেওয়া হতে পারে তা নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, গোটা দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। এই পরিস্থিতিতে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি বেতনভুক্ত কর্মীদের ট্যাক্স ছাড় এর পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
মহামারীর সময় মানুষের হাতে যাতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। তরুণ বিনিয়োগকারীরা ক্রিপ্টোকারেন্সি সহ বিভিন্ন ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে কর আরোপ নিয়ে জানতে চাইছে।
সাধারণ করদাতাদের প্রত্যাশা
আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর যে সমীক্ষা করা হয়েছে সেই সমীক্ষায় প্রায় ৮১% উত্তরদাতা কঠিন পরিস্থিতির সময়েও ভরসা রাখছে। তারা মনে করে, কেন্দ্রীয় বাজেট এর উপর মহামারীর কোনো প্রভাব পড়বে না। পাশাপাশি বাজেট নিয়ে কোন কোন দিকে নজর দিলে ভালো তা নিয়ে করা সমীক্ষায় উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কী চাইছেন দেশের আম জনতা? দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।
১. অধিকাংশই বিশ্বাস করেন যে আসন্ন বাজেটে ব্যক্তিগত কর আরোপের জন্য সবচেয়ে বেশি সংস্কার প্রয়োজন। উত্তরদাতাদের ৫৭% সংস্কারের জন্য ব্যক্তিগত কর নির্বাচন করেছে।
২. আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজন ভারতে ওয়েলথ সেক্টরে নজরদারি করা।
৩.পাশাপাশি এভিয়েশন সেক্টরের গুরুত্ব আরোপ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ট্যাক্স ছাড় কতটা বাড়ানো যায় সে দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
৪. আসন্ন বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজন স্টক মার্কেটে লক্ষ্য রাখা। ভারতের আর্থিক কাঠামো মজবুত করতে এই বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ নজর দেওয়া অত্যন্ত দরকার।
৫. মহামারীর জেরে চরম সংকটে স্বাস্থ্য। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজন স্বাস্থ্য বীমার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। স্বাস্থ্য বিভাগকে ৫% জিএসটির স্ল্যাবের নিয়ে আসা প্রয়োজন।
৬. ভারতের ব্যাংকিং এবং এম এস এম ই সেক্টরের উপর গুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন সরকারের। এই বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সরকারি ক্রেডিট স্কিন শুরু করা অত্যন্ত দরকার। সরকারের প্রয়োজন গ্রামীণ এলাকার ওপর নজর দেওয়া।
৭. সরকারের প্রয়োজন অটোমোবাইল সেক্টরে গুরুত্ব আরোপ করা। এখানেই শেষ নয় এই সেক্টরে টেক্স ছাড়ের। পরিমাণ বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজন।
৮. স্বাস্থ্য বীমার পাশাপাশি ভারতের হসপিটাল সেক্টরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রেও ট্যাক্স ছাড় এর পরিমাণ বাড়ানো অত্যন্ত দরকার।












Click it and Unblock the Notifications