Warranty VS Insurance: কোনও কিছুর ওয়ারেন্টি নেবেন নাকি বিমা করাবেন? কোথায় কোনটির সুবিধা
Warranty VS Insurance: কমবেশি প্রতিবছরই ফেস্টিভ সিজনে সেলের রেকর্ড হয়। তা ই-কমার্স হোক কিংবা অফলাইন। এবার তার অন্যথা হয়নি। সব কিছুর বিক্রি রেকর্ড করেছে। প্রতিদিনকার ব্যবহার্য জিনিস থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক গ্যাজেট, সব কিছুই বাম্পার বিক্রি হয়েছে।
ইলেকট্রনিক গ্যাজেট এখন প্রত্যেকের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। সারা বছরই এইসব জিনিসের বিক্রি চলে। সামনেই রয়েছে ক্রিসমাস ও নিউইয়ার। সেই সময়েই বিক্রি বেশি থাকবে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের যেমন দাম বেশি, সেগুলির সুরক্ষাও জরুরি। মানুষ এখন স্মার্ট ফোনে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছে। তবে সেগুলি বারে বারে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। সেগুলির ব্যবহারের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে সেগুলির সুরক্ষা দরকার। প্রশ্ন হল কোন ধরনের সুরক্ষা?
বিভিন্ন কোম্পানি গ্যাজেট বিক্রির সময় কিছুটা সুরক্ষা দিয়ে থাকে। এই সুরক্ষা ওয়ারেন্টি আকারে হয়। কেউ যদি অতিরিক্ত সুরক্ষা চান, তাহলে অতিরিক্ত ওয়ারেন্টি বা বিমার আকারে নিতে পারেন। ওয়ারেন্টির অর্থ হল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্যাজেটে কোনও সমস্যা হলে, কোম্পানি তা মেরামত বা প্রতিস্থাপন করবে।
ধরা যাক টিভির জন্য একবছরের ওয়ারেন্টি আছে, তাহলে একবছরের কভার রয়েছে। কোনও কোনও কোম্পানি বর্ধিত ওয়ারেন্টি কেনার সুবিধা দিয়ে থাকে। যার জন্য ক্রেতাকে বাড়তি অর্থ দিতে হয়।
অন্যদিকে বিমার কভারেজের পরিধি আরও বেশি। কোনও কিছুর যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক ত্রুটি বিমা কভারেজের আওতায় আসে। এছাড়াও সেগুলির চুরি কিংবা অন্য দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিতে কভারেজ পাওয়া যায়। যে কারও ফোন হারিয়ে গেলে তা বিমার মাধ্যমে কভারেজ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি কোনও কাজে আসে না।
তবে বলে রাখা ভাল ওয়ারেন্টি বিমার থেকে সস্তা। সাধারণভাবে আমরা জানি বিমার কভারেজ যত বেশি হবে, গ্রাহককে তত বেশি প্রিমিয়াম দিতে হবে। সেই একই সময়ে ওয়ারেন্টির খরচ বিমার প্রিমিয়ামের থেকে কম। তবে কোনটির প্রয়োজন তা গ্রাহককে ঠিক করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications