সোনার গয়না কিনতে যাচ্ছেন? কখনই এড়িয়ে যাবেন না এই পাঁচটি বিষয়
সোনা কেনা'র ক্ষেত্রে মহিলারা সবসময় একটু দুর্বল! হঠাত করেই কিছু না দেখেই কিনে ফেলে। আর তা কিনে বিপদের মুখে পড়তে হয়। সোনার জায়গাতে দেখা যায় খাদ মেশানো রয়েছে। পরে তা না বিক্রি করা যাবে না পড়া যাবে।
সোনা কেনা'র ক্ষেত্রে মহিলারা সবসময় একটু দুর্বল! হঠাত করেই কিছু না দেখেই কিনে ফেলে। আর তা কিনে বিপদের মুখে পড়তে হয়। সোনার জায়গাতে দেখা যায় খাদ মেশানো রয়েছে। পরে তা না বিক্রি করা যাবে না পড়া যাবে।
ফলে সোনা কেনার সময়ে সবসময় সাবধান থাকতে হবে। অন্তত কয়েকটি বিষয় মাথা রাখা প্রয়োজন। তাতে কম ঠকতে হবে। ফলে এই পাঁচটি জিনিস মাথায় রাখলে আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।

সোনার দাম মাথায় রাখতে হবে-
আপনি যদি সোনার কয়েন বা গয়না কেনার কথা ভাবছেন, তাহলে সবার আগে জেনে নিন আপনার শহরে সোনার দাম। প্রত্যেক শহরে আলাদা আলাদা দাম হয়ে থাকে। বিদেশী বাজারে দাম অনুযায়ী স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে স্থানীয় জুয়েলার্স সমিতি। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি দিল্লিতে গয়না কিনছেন, তাহলে দিল্লি অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা জারি করা সোনার দাম জেনে তা কিনতে হবে। এছাড়া অন্তত দুটি জায়গা থেকে কিংবা বেশ কয়েকটি জুয়েলার্স থেকেও সোনার দাম জেনে নিন।

ক্যারেট চেক করে নিতে হবে-
সোনার শুদ্ধতা মাপতে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে ক্যারেট। ক্যারেট যত বেশি, সোনা তত খাঁটি। বেশি ক্যারেট মানে বেশি দাম। একইভাবে, ক্যারেট যত কম, সোনার দাম তত কম। অনেক সময় জুয়েলার্সের দোকানদারেরা স্বর্ণের অলঙ্কার কেনার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে 24 ক্যারেট চার্জ করে। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে, 24 ক্যারেটে কোন সোনার গয়না তৈরি করা যায় না, কারণ 24 ক্যারেট সোনা খুব শক্ত। সাধারণ ভাবে সোনার গয়না ২২ ক্যারেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে। এই মানের সোনার গহনায় রয়েছে 91.66 শতাংশ সোনা। অনেক সময়ে সোনার জুয়েলারি শক্ত করতে জিংক, কপার এবং রুপো মেশানো হয়ে থাকে।

হলমার্ক দেখে কিনুন-
হলমার্কের নির্ধারণ ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্টেন্ডার্ড (BIS) করে থাকে। এই সংস্থাটি ক্রেতাদের সোনা কেনার ক্ষেত্রে গুনগত মানের সার্টিফিকেট দিয়ে থাকে। যদি সোনার গহনার উপর একটি হলমার্ক থাকে, তাহলে এর বিশুদ্ধতা প্রমাণ করে থাকে। কিন্তু অনেক জুয়েলার্স তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই হলমার্ক চিহ্ন লাগিয়ে থাকে। আর এভাবেই ক্রেতাদের ঠকায় সোনা বিক্রেতারা। ফলে এই বিষয়ে সাবধানে থাকার কথা বলা হচ্ছে। ফলে হলমার্ক আসল নাকি ভুয়ো সেটি যাচাই করে নিতে হবে।

মেকিং চার্জের বিষয়টি মাথায় রাখুন-
প্রত্যেক জুয়েলারিতে আলাদা আলাদা মেকিং চার্জ থাকে। প্রতিটি গয়নার টেক্সচার এবং কাটিং এবং ফিনিশিং আলাদা হওয়ার কারণে মেকিং চার্জ আলাদা হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে এই কাটিং মেশিন দিয়ে করা হয় আবার মানুষ করে। ফলে চার্জ আলাদা হয়ে থাকে। মানুষের তৈরি গহনার চেয়ে মেশিনে তৈরি গহনা সস্তা হয়ে থাকে। মেকিং চার্জ দুটি বিষয়ের উপর নিরভর করে। প্রথমে এটি সোনার দামের উপর শতাংশ হিসাবে চার্জ করা হয়।

সোনার গয়নার ওয়েট দেখে নিন-
সোনা গয়না কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই ওয়েট দেখে নিতে হবে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বলে মনে করা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা এড়িয়ে যায় ক্রেতারা। এর ফলে পরবর্তীকালে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়।












Click it and Unblock the Notifications