জেট এয়ারওয়েজ সমস্যার জন্য সরকারকে দুষলেন বিজয় মালিয়া
জেট এয়ারওয়েজর আর্থিক সঙ্কটের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিকেই দুষেছেন সংস্থার এক সময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী কিংসফিশার এয়ারলাইন্সের মালিক তথা ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপিতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া।
জেট এয়ারওয়েজর আর্থিক সঙ্কটের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিকেই দুষেছেন সংস্থার এক সময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী কিংসফিশার এয়ারলাইন্সের মালিক তথা ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপিতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া। সঙ্গে এও জানাতে ভোলেননি, জেটের প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গয়ালের মতো স্বপ্ন দেখতেন তিনিও। স্বীকার করেছেন, কিংফিশারকে দেশের সেরা বিমান সংস্থা বানাতে তিনি টাকা খরচ করতে কসুর করেননি। এর জন্যই ব্যাঙ্ক থেকে তাঁকে ঋণ নিতে হয়, জানিয়ে মালিয়ার প্রশ্ন, বিকল্প পদ্ধতিতে একশো শতাংশ ঋণ চোকানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ চালু রাখা হল।

জেট এয়ারওয়েজ নিয়ে সমস্যায় তাঁর এক সময়ের ব্যবসায়ীক প্রতিদ্বন্দ্বী তথা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গয়াল ও তাঁর স্ত্রী নীতা গয়ালের পাশেই দাঁড়িয়েছেন বিজয় মালিয়া। এবং তাঁদের এই পরিস্থিতির জন্য, কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক নীতিকেই দুষেছেন ঋণ খেলাপি কাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী। টুইটারে রীতিমতো ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লিখেছেন, এয়ার ইন্ডিয়ার পুনরুদ্ধারে, মানুষের কাছ থেকে নেওয়া ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে সরকার। অথচ কিংফিশার, জেট এয়ারওয়েজর মতো দেশের প্রথম সারির বিমান সংস্থাগুলিকে বাঁচাতে, কেন্দ্রীয় সরকারে কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়নি বলেই অভিযোগ বিজয় মালিয়ার। বলেছেন, নরেশ গয়াল তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও, বেসরকারি বিমান সংস্থা চালোনো যে কত কঠিন, তা তাঁরা দুজনেই জানেন।
অন্যদিকে, জেট এয়ারওয়েজকে তীব্র আর্থিক সংকট থেকে বাঁচাতে আপৎকালীন ঋণ দেওয়ার বিষয়টি অমীমাংসিতই থেকে যায় সংস্থার বোর্ড অব ডিরেক্টরদের মঙ্গলবারের বৈঠকে। পাশাপাশি ঋণদাতাদের তরফে যে ১৫০০ কোটির আপৎকালীন অনুদান পাওয়ার কথা ছিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি বলেই জেটের তরফে জানানো হয়েছে। ওদিকে, জেট সমস্যা সমাধান নিয়ে দোলাচলে সংস্থার ১৬৫০০ কর্মীর ভবিষ্যত অন্ধকারে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জেটের দিল্লির কর্মীরা ১৮ এপ্রিল যন্তর-মন্তরের সামনে জমায়েত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications