Union Budget 2024: আয়কর আইনে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পরিবর্তন চাই! অর্থমন্ত্রীর কাছে মধ্যবিত্তদের বড় দাবি
এপ্রিল-মে মাসে সাধারণ নির্বাচনের আগে পয়লা ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। নতুন সরকারের শপথের পরে জুলাই মাসে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে। তবে মধ্যবিত্তরা আয়কর সংস্কারের জন্য অপেক্ষা করছেন, যা তাঁদেরকে কর-ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে। মধ্যবিত্তদের আশা আয়কর আইনের ধারা ৮০ সি ও ৮০ ডি-র অধীনে ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করা হবে।
মধ্যবিত্তরা আশা করছেন আয়কর ছাড়ের সীমা আড়াই লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। প্রসঙ্গত এর আগের বার অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩-এ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন নতুন কর ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

- অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোনও কর দিতে হবে না। ৩-৬ লক্ষ টাকার মধ্যে করের হার ৫ শতাংশ। ছয় থেকে নয় শতাংশের মধ্যে করে হার দশ শতাংশ। নয় থেকে বারো লক্ষের মধ্যে আয় হয়ে ১৫ শতাংশ, ১২-১৫ লক্ষের মধ্যে হলে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ কিংবা তার বেশি হলে কর দিতে হবে ৩০ শতাংশ।
- অন্যদিকে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে ৮০ সি ধারায় কর ছাড়ের সীমা রাখা হয়েছে ১.৫ লক্ষ টাকা। আরও বেশি সঞ্চয় এবং বেশি বিনিয়োগের জন্য সেই সীমা বৃদ্ধির দাবি করেছেন মধ্যবিত্তরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এঅই সীমা এখনই আড়াই লক্ষ টাকা করা উচিত।
- ২০১৮ সালে স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়। ক্রমবর্ধমান চিকিৎসার খরচ এবং জ্বালানির খরচের প্রেক্ষিতে স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের সীমা আরও ৫০ হাজার বৃদ্ধি করে এক লক্ষ টাকা করার দাবি উঠেছ
- আয়কর আইনের ৮০ সি ধারায় হাউসিং লোনে কর ছাড়ের সুবিধা রয়েছে। মূল লোন পরিশোধ করতে করযোগ্য আয় থেকে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় দাবি করা যেতে পারে। কিন্তু তা আবার জীবন বিমার প্রিমিয়াম, টিউশন ফি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পিপিএফের মতো বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে হাউসিং লোনের ক্ষেত্রে ছাড় বৃদ্ধির দাবি উঠেছে।
- অন্যদিকে আয়কর আইনের ৮০ ডি ধারায় সাধারণের জন্য কর ছাড়ের সীমা ২৫ হাজার থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা এবং বয়স্ক নাগরিকদের জন্য কর ছাড়ের সীমা ৫০ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৭৫ হাজার টাকা করার দাবি উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications