Union Budget 2022: একদিন পরেই কেন্দ্রীয় বাজেট! সাধারণের প্রত্যাশায় আয়করের স্ল্যাব ও হার
প্রত্যেক বছরেই সাধারণ মানুষের অনেক প্রত্যাশা থাকে দেশের সাধারণ বাজেট (Union Budget) নিয়ে। মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্তের প্রত্যাশা থাকে যদি বাজেটে আয়করের (Income Tax) স্ল্যাবের (slab) কিছু পরিবর্তন হয়। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্
প্রত্যেক বছরেই সাধারণ মানুষের অনেক প্রত্যাশা থাকে দেশের সাধারণ বাজেট (Union Budget) নিয়ে। মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্তের প্রত্যাশা থাকে যদি বাজেটে আয়করের (Income Tax) স্ল্যাবের (slab) কিছু পরিবর্তন হয়। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০১৪-তে এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে শেষবার ওই বছরেই আয়করের স্ল্যাবে পরিবর্তন করা হয়েছিল। গত কয়েকবছরের তার আর কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। ফলে এবছরেই কি সেই একই অবস্থা থাকবে, নাকি কিছুটা স্বস্তি দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, তা নিয়ে প্রশ্ন হোক কিংবা আশা, তার আর শেষ নেই সাধারণের মধ্যে।

২০১৪-তে আয়করের সীমা ২ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ২.৫ লক্ষ টাকা
২০১৪-তে প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ছিলেন অরুণ জেটলি। এই বছরেই আয়কর ছাড়ের সীমা ২ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২.৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছিল। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আয়কর ছাড়ের সীমা বাড়িয়ে ৩ লক্ষ টাকা করা হয়েছিল। তারপর থেকে মৌলিক ছাড়ের সীমার কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।
অন্যদিকে, ২০১৪ সালেই ৮০সি ধারায় কর ছাড়ের সীমা ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১.৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছিল। পরে ২০১৫-র বাজেটে ৮০ সিসিডি ধারায় এনপিএস-এর অধীনে আরও অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা ছাড় দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামের ওপরে ছাড়ও ১৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছিল।

প্রাক বাজেট সমীক্ষায় ছাড় বৃদ্ধির আশা
বিভিন্ন সংস্থার তরফে প্রাকবাজেট সমীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ মানুষ আয়কর ছাড়ের সীমা ২.৫ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধির আশা করছেন। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছএন নির্মলা সীতারমন সাধারণের কর ছাড়ের সীমা ২.৫ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লক্ষ টাকা এবং প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি শীর্ষ আয়ের যে স্ল্যাব হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা, তাও বৃদ্ধির আশা করছেন অনেকে।

২০২০-র বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থার প্রবর্তন
২০২০ সালের বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ট্যাক্সের স্ল্যাব ও হারের কোনও পরিবর্তন না করলেন, নতুন একটি কর ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তবে সেই ব্যবস্থা কর দাতাদের কাছে ঐচ্ছিক হিসেবেই রয়ে যায়। অর্থাৎ কোনও করদাতা পুরনো কর ব্যবস্থাও অনুসরণ করতে পারেন আবার তিনি নতুনটিও বেছে নিতে পারেন বলে বাজেটে বলা হয়েছিল।

২০২০-র বাজেট ঘোষণায় আয়কর
২০২০-তে কেন্দ্রীয় বাজেটে ২.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আয়ের লোকেদের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কর চাপানো হয়েছিল। ৫ লক্ষ থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপরে পুরনো হলে ২০% এবং নতুন হলে ১০% কর ধার্য করা হয়েছিল। এরপর ৭.৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে পুরনো হলে ২০% এবং নতুন হলে ১৫ % হারে করের কথা বলা হয়েছিল।
১০ লক্ষ টাকা আয়ের ওপরে পুরনো হলে ৩০% এবং নতুন হলে তিনটি স্ল্যাব করা হয়েছিল। ১০-১২.৫ লক্ষ টাকার ক্ষেত্রে ২০%, ১২.৫-১৫ লক্ষের ক্ষেত্রে ২৫% এবং ১৫ লক্ষের ওপরে ৩০% হারে কর ধার্য করা হয়েছিল।
অন্যদিকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে ৮৭এ ধারার অধীনে পুরনো এবং নতুন উভয় ক্ষেত্রেই ১২,৫০০ টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে কর দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।
গত বছরের বাজেটে ৭০ টি বিভিন্ন ধরনের ছাড় তুলে নেওয়া হয়েছিল। অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন পরে বছরের বাজেটে তিনি বিভিন্ন অব্যাহতিগুলির পর্যালোচনা করবেন। তিনি কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ এবং করের হার কমানোর কথাও বলেছিলেন। এখন সবাই ২০২২-এর সাধারণ বাজেটে পরবর্তী ঘোষণার অপেক্ষায় ।












Click it and Unblock the Notifications