Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Tax Saving Tips: বেশি রিটার্ন-সহ ট্যাক্স সাশ্রয়ের সুবিধা! PPF-এ বিনিয়োগে দ্বিগুণ সুবিধা

সামনেই ২০২৩-২৪ আর্থিক বছর শেষ হতে যাচ্ছে। এই সময় কর বাঁচাতে বিনিয়োগের শেষ সুযোগ মার্চ মাস পর্যন্ত। কেউ যদি ট্যাক্স সাশ্রয়ের সঙ্গে ভাল রিটার্ন দেয়, এমন বিকল্পের খোঁজ করেন, তাহলে তাঁর জন্য পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ভাল বিকল্প হতে পারে।

কেউ যদি স্মার্টভাবে পরিকল্পনা করেন, তাহলে অনেক ধরনের স্কিমে লক্ষ লক্ষ টাকা বাঁচাতে পারেন। এখানে এমন একটি বিকল্প রয়েছে, যেখানে ভার রিটার্নের সঙ্গে ট্যাক্স বাঁচানোর উপায়ও রয়েছে। এখানে গ্যারান্টিযুক্ত রিটার্ন পাওয়া যায়। এছাড়া ট্যাক্স ছাড়ের সুবিধাও পাওয়া যায়।

PPF-এ বিনিয়োগে দ্বিগুণ সুবিধা

পিপিএফে বিনিয়োগ করতে গেলে ১৫ বছরের জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। বিনিয়োগকারীরা প্রতি বছর ৫০০ টাকা থেকে ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সেখানে জমা করার সুযোগ পাবেন। জমা টাকার ওপরে সুদের হার ৭.১ শতাংশ। পিপিএফে বিনিয়োগ আয়কর আইনের ৮০ সি ধারায় ছাড় পাওয়া যায়। বার্ষিক দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত সেখানে ছাড় পাওয়া যায়।

পিপিএপ ক্যালকুলেটর অনুসারে যদি কেউ ১৫ বছরের জন্য প্রতিবছর দেড় লক্ষ টাকা করে বিনিয়োগ করেন, তাহলে ম্যাচিওরিটিতে ৪০.৬৮ লক্ষ চাকা পাওয়া যায়। বর্তমান সুদের হারে সেখানে ১৫ বছরে বিনিয়োগের পরিমাণ ২২.৫০ লক্ষ টাকা. আর সুদ হিসেবে পাওয়া যাবে ১৮.১৮ লক্ষ টাকা।

২০২০-র মার্চে শেষ পিপিএফ-এ সুদের হার কমিয়েছিল মোদী সরকার। তারপর থেকে ব্যাঙ্কে নানা ক্ষেত্রে সুদের হারের পরিবর্তন হলেও পিপিএফ-এ সুদের হার কমেনি। পিপিএফ অ্যাকাউন্টে বছরের হিসেবে সুদ জমা হয়ে থাকে। আর্থিক বছরের শেষ দিন পর্যন্ত সেই বছরের সুদ গণনা করা হয়। যা নতুন আর্থিক বছরের শুরুতে অ্যাকাউন্টে পাওয়া যায়।

কোনও গ্রাহক যদি কোনও মাস শুরুর ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে টাকা জমা করে থাকেন, তাহলে তিনি সেই মাসের সুদ পেয়ে থাকেন। পরে ৫ তারিখের পরে জমা দিলে তিনি সেই মাসের সুদ থেকে বঞ্চিত হন। কোনও অ্যাকাউন্ট চালু রাখতে গেলে কোনো গ্রাহককে কোনও বছরে ন্যূনতম ৫০০ টাকা জমা দিতেই হবে।

কেউ যদি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে চান, তাহলে কোনও ব্যাঙ্কে ঘুরতে হবে না। সেই কাজ অনলাইনে করা যেতে পারে। প্রথমে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়ে ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং বা মোবাইল ব্যাঙ্কিং বেছে নিতে হবে। এরপর পিপিএফ অ্যাকাউন্ট ওপেন বিকল্পে যেতে হয়। নিজের জন্য সেই অ্যাকাউন্ট খুললে সেলফ অ্যাকাউন্ট বিকল্প বেছে নিতে হয়। নাবালকের জন্য অ্যাকাউন্ট খুললে মাইনর অ্যাকাউন্ট বিকল্প বাছতে হয়।

এর জন্য আবেদনপত্রে বিবরণ পূরণ করতে হয়। সাবমিট করার পরে ফোনে ওটিপি আসে। তারপরেই খুলে যায় পিপিএফ অ্যাকাউন্ট, যা স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়। দেওয়া ইমেলে অ্যাকাউন্টের বিবরণ চলে আসে। ভারতে বসবাসকারী যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ নিজের জন্য সেই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন না। তবে অভিভাবক তাঁর নাবালক পুত্র কিংবা কন্যার জন্য এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

টাকা তুলতে গেলে প্রয়োজনীয় সি ফর্মপূরণ করে ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসে যেখানে অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেখানে জমা দিতে হয়। যা ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যেতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খেরে কোনও ব্যক্তি পুরো টাকা তুলতে পারেন না। তবে পিপিএফ অ্যাকাউন্টের বয়স ১৫ বছরে মধ্যে হলে আংশিক টাকা তোলা যায়। আর ১৫ বছরের মেয়াদ পূরণ হলে পুরো অর্থ তুলে, তা বন্ধ করে দেওয়া যায়। আবার কেউ যদি ১৫ বছরের পরে অ্যাকাউন্ট রাখতে চান, তাহলে তা ৫ বছর করে সময় বাড়াতে হয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+