সংস্থা বন্ধ, তবুও বাড়ছে জেটের শেয়ার দর; কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
এক বছর আগেও জেটের ১২০টি বিমান চলত। তবে চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল বন্ধ হয়ে যায় জেট এয়ারওয়েজ। তবে সংস্থা বন্ধ হলেও শেয়ার বাজারে দাম বেড়েছে জেটের।
এক বছর আগেও জেটের ১২০টি বিমান চলত। তবে চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল বন্ধ হয়ে যায় জেট এয়ারওয়েজ। তবে সংস্থা বন্ধ হলেও শেয়ার বাজারে দাম বেড়েছে জেটের। এমই অভাবনীয় তথ্য উঠে আসছে। জানা গিয়েছে ১৮ অক্টোবর থেকে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে জেটের শেয়ারের দাম। গতকাল বাজার বন্ধ হওয়ার আগে জেটের শেয়ার প্রতি দামগিয়ে দাঁড়ায় ২৪.৪০ টাকায়।

বিশেষজ্ঞদের মত
এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শেয়ারের দাম প্রথম ধাক্কায় অনেকটাই পড়ে গিয়েছিল জেটের। এমনকি ন্যায্য দামের থেকে নেমে গিয়েছিল শেয়রের দর। এখন তাই অনেকেই এই শেয়ার কিনছে। এর ফলে শেয়ার বাজারে দাম বাড়ছে জেটের শেয়ারের। এই প্রক্রিয়ার জেরে সংস্থাটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হতে পারে। তা হলে জেটের শেয়ার মালিকরা একটু হলেও নিস্তার পাবেন।

এপ্রিলে জেটের শেয়ার প্রতি দর ছিল ২৬৫ টাকা
১৭ এপ্রিল রাত সাড়ে দশটার পরই সব উড়ান পরিষেবা বন্ধ করে দেয় জেট এয়ারওয়েজ। জেট এয়ারওয়েজের শেষ বিমানটি উড়বে অমৃতসর থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করে। এপ্রিলে জেটের শেয়ার প্রতি দর ছিল ২৬৫ টাকা। সেখান থেকে অক্টোবর ১৮ তারিখে শেয়ারের দাম দাঁড়ায় ১৫.৪৫ টাকায়। সেখান থেকেই গত কয়েকদিনে উত্থান হয়েছে জেটের দামে।

ঘুরে দাঁড়ানোর সব চেষ্টা বিফলে
জেট এয়ারওয়েজকে ঘুরে দাঁড় করাতে ঋণদাতারা তহবিল জোগানের কথা দিয়েছিলেন। তবে পরিষেবা চালু রাখতে এসবিআই-এর নেতৃত্বাধীন ঋণদাতা গোষ্ঠীর কাছে ৪০০ কোটি টাকার আপৎকালীন অর্থের দাবি করেও তা পায়নি জেট। জানা গিয়েছিল, জ্বালানি ভরার প্রায় ফুরিয়ে এসেছিল ও পরিষেবা সচল রাখার টাকাও আর ছিল না। এমন অবস্থায় বন্ধ করা হয় জেট এয়ারওয়েজ।

শেষ পর্যন্ত জেটকে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটির বোর্ড
পরিষেবা সচল রাখার টাকা না থাকায় বোর্ডের বৈঠকে পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে জেটের সিইও বিবেক দুবের উপর কম্পানি বিষয়ক সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বভার দেওয়া হয়। আর সেই সিদ্ধান্তকেই বাস্তবায়িত করে বন্ধ করা হয় জেট এয়ারওয়েজ। সাময়িক বলা হলেও, আদতে ঋণ জর্জরিত এই বিমানসংস্থাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার কথাই জানা গিয়েছিল।

এই মুহূর্তে জেটের মোট ঋণের পরিমাণ
এই মুহূর্তে জেটের ঋণপ্রদানকারীরা সংস্থাটির থেকে ৮০০০ কোটি টাকা পায়। এছাড়া সংস্থাটি মোট ২৫০০০ কোটি টাকার ঋণের দায়ে ধুকছে।












Click it and Unblock the Notifications