করোনা ভাইরাসের আঘাত ভারতের উপার্জন বৃদ্ধিতে, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা
চিনের করোনা ভাইরাসের প্রভাব ভারতের উপার্জন বৃদ্ধিরও ওপরও আঘাত হানতে চলেছে। অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে।
চিনের করোনা ভাইরাসের প্রভাব ভারতের উপার্জন বৃদ্ধিরও ওপরও আঘাত হানতে চলেছে। অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। তবে করোনা ভাইরাসের যে প্রভাব চিনের অর্থনীতিতে পড়েছে, তা বিশ্বের অর্থনীতিতেও পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে করোনা ভাইরাসের প্রভাবের আগেই সংকটে ভারতের অর্থনীতি। কর্পোরেট কর কমানো হলেও তা বাজারকে উৎসাহিত করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি অর্থবর্ষে নিফটির আয় ১০ শতাংশের মতো হবে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন বর্তমান অর্থবর্ষের চতুর্থ অংশে পণ্য খাতে আঘাত পড়ছে করোনা ভাইরাসের জন্য।
তবে বাজার যেভাবে এগোচ্ছে তাতে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে বৃদ্ধি ২৬ শতাংশের মতো হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু ভয়ের কথা হল, আয় বৃদ্ধির হার পরিমিত করতে পারে করোনা ভাইরাসের প্রভাব। যা নিফটির এক বছরের অগ্রিম মূল্যায়নকে ঝুঁকিতে ফেলছে।
প্রথমের দিকে ভারতে করোনা ভাইরাস সংক্রমের ব্যাপারে সতর্ক করা হলেও, বর্তমানে এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে ভারতই সব থেকে ভাল জায়গায় রয়েছে। তবে তা যদি বিশ্বের অর্থনীতিকে শ্লথ করে দেয়, তার প্রভাব ভারতে এসে পড়বেই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি বিশ্বের অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাসের প্রভাব ভারতেও পড়ে তাহলে ২০২০-২১ অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার দিয়ে দাঁড়াতে পারে ৪.৫ শতাংশে। আগের বছর যা ছিল ৪.৭ শতাংশ।
যেসব ক্ষেত্রগুলি ভার্চুয়াল শাটডাউন-এ ঝুঁকিপূর্ণ, তাদের মধ্যে রয়েছে, ইলেক্ট্রনিক্স, কনজিউমার গুডস, কেমিক্যালস, অটো কম্পোনেন্টস এবং ফার্মাসিউটিক্যালস। এগুলির মধ্যে অনেকগুলিরই কাঁচামাল ভারত আনে চিন থেকে। কোম্পানিগুলির স্টক থাকে ৪৫ থেকে ৬০ দিনের। ফলে এর প্রভাব চলতি অর্থবর্ষে না পড়লেও, ২০২০-২১ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে পড়তে বাধ্য। তাছাড়া কাঁচামালের অভাবে জিনিসের দাম বৃদ্ধিও হবে।












Click it and Unblock the Notifications