আপনার কি সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে? উত্তর হ্যাঁ হলে আয়কর আইনের 80TTA ধারার কথা আগে জানতে হবে
এখন অধিকাংশ মানুষেরই সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে। একটি নয়, অনেকেরই একাধিক কিংবা তার বেশি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ব্যাঙ্কগুলির সুদের হার অনুসারে সেখানে জমা থাকা টাকার সুদ সময়ে সময়ে দেওয়া হয়। এই সুদ আয়কর রিটার্নে দেখানো জরুরি।
আয়কর দাখিল করার সময় আমাদের অন্য উৎস থেকে আয় বিভাগের অধীনে ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকে যে সুদ পাওয়া যায় তার উল্লেখ করতে হয়। এক্ষেত্রে আয়কর আইনের ৮০টিটিএ ধারায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়।

এখানে সরকার স্বীকৃত ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্টে পাওয়া সুদ, সমবায় ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্টে পাওয়া সুদ, পোস্ট অফিস সেভিংস অ্যাকাউন্টে পাওয়া সুদ কর ছাড় যোগ্য। তবে স্থায়ী আমানত অর্থাৎ ফিক্সড ডিপোজিটে পাওয়া সুদে এই ৮০টিটিএ-র অধীনে ছাড় পাওয়া যায় না।
আয়ক আইনের এই ধারা অবিভক্ত হিন্দু পরিবার, অনাবাসী ভারতীয় এবং ৬০ বছরের বেশি অর্থাৎ প্রবীণ নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। এই ধারার অধীনে দশ হাজার টাকার ওপরে আর কোনও কর ছাড় দাবি করা যাবে না। যদি কারও দুটি কিংবা তার বেশি অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে সেখানে পাওয়া সব সুদ একসঙ্গে করে হিসাব করতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আয়কর রিটার্ন দাখিল করার সময় এই সুদকে অন্য উৎস থেকে আয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে মোট আয় গণনা করা যেতে পারে। তারপর ধারা 80TTA-এর অধীনে কর ছাড় দাবি করা যেতে পারে।
এখানে আরও একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। কারও বার্ষিক আয় ৫ লক্ষ টাকা। সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর আয় ১২ হাজার টাকা। আয়কর দাখিল করার সময় এই বারো হাজার টাকাকে অন্য উৎসের আয়ের অন্তর্ভুক্ত করলে মোট আয় হবে পাঁচ লক্ষ বারো হাজার টাকা। তারপর 80TTA-এর অধীনে ১০ হাজার টাকা কর ছাড় দেওয়ার পরে মোট আয় হবে পাঁচলক্ষ দুই হাজার টাকা।












Click it and Unblock the Notifications