সেভিংস অ্যাকাউন্টে রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম! এদিক-ওদিক হলেই বাড়িতে হানা দিতে পারে আয়কর দফতর
সেভিংস অ্যাকাউন্টে যত খুশি টাকা রাখা যায়। তবে ব্যাঙ্কে নগদ জমা দেওয়ার বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। নিদিষ্ট পরিমাণের বেশি জমা হলে ব্যাঙ্কগুলি আয়কর দফতরকে সেই তথ্য দিয়ে থাকে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবারই একটি করে সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন। কেননা অ্যাকাউন্ট ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন করা যাবে না। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্যও অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন।

অ্যাকাউন্ট সংখ্যায় বিধিনিষেধ নেই
দেশে সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে কোনও বিধিনিষেধ নেই। এই কারণে অনেকেরই একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেভিংস অ্যাকাউন্টে টাকা নিরাপদেই থাকে, খুব কম হলেও সেখান থেকে সুদও পাওয়া যায়।
নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হলেই উৎস জানানো জরুরি
জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্ট ছাড়া অন্য সেভিংস অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালেন্সের প্রয়োজন। সেখানে সর্বোচ্চ নগর রাখার কোনও সীমা নেই। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি অর্থ জমা করলে আয়কর দফতরের নজর পড়ে। যে কারণে উৎসের উল্লেখ করতে হয়।
টাকা জমার সীমা
অ্যাকাউন্টে টাকা জমার সময় সীমা অনুসরণ করতে হয়। সাধারণভাবে অ্যাকাউন্টে একবারের সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জমা করা যেতে পারে। এর থেকে বেশি হলে প্যান কার্ডের বিবরণ উল্লেখ করতে হয়। সেখানে প্রতিদিনের সীমা রয়েছে এক লক্ষ টাকা।
প্রমাণ দিলেই রয়েছে ছাড়
একটি আর্থিক বছরে সেভিংস অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা জমা করা পারে। এর বেশি হলে ব্যাঙ্কই আয়কর দফতরকে জানিয়ে দেয়। কারণ অর্থের উৎস আয়কর দফতরকে জানাতে হয়। যদি সন্দেহ হয়, তাহলে আয়কর দফতর বাড়িতে অভিযান চালাতে পারে। সেক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনকারীদের কঠোর জরিমানা করা হয়। ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কর কাটা হতে পারে। তবে প্রমাণ দিয়ে ১০ লক্ষ টাকার বেশি জমা করা যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications