জিও ধামাকার জের! বন্ধ বেতন, দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন এয়ারসেলের
একদিকে চলছে জিও-র ধামাকা। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে বেতন নেই অপর টেলিকম সংস্থা এয়াসেলের। প্রায় ৬ হাজার কর্মী এখনও বেতন পাননি। এমন কী অফিসের জল কিংবা বিদ্যুতের বিলও মেটাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
একদিকে চলছে জিও-র ধামাকা। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে বেতন নেই অপর টেলিকম সংস্থা এয়াসেলের। প্রায় ৬ হাজার কর্মী এখনও বেতন পাননি। এমন কী অফিসের জল কিংবা বিদ্যুতের বিলও মেটাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের তরফে ফান্ড না থাকার কথা জানানো হয়েছে।

ধারে নুব্জ এয়ারসেল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইবুনালের কাছে ইন্টেরিম রেজোলিউশন প্রফেশনাল নিয়োগের জন্য আবেদন করেছে।
এয়ারসেলের তরফে আবেদনকারী আইনজীবী জনক দ্বারকাদাস একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার কারণে কোম্পানির বিষয়টি অবিলম্বে শুনানি হওয়া উচিত। ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মীদের বেতন বাকি থাকায় তাদের বেশ কিছু অর্থনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন। একইসঙ্গে অফিসের বিদ্যুত ও জলের বিলও মেটানো দরকার।
নিজেদেরকে দেউলিয়া ঘোষণার জন্য এয়ারসেল লিমিটেড, এয়ারসেল সেলুলার লিমিটেড এবং ডিসনেট অয়্যারলেস লিমিটেড ২৮ ফেব্রুয়ারি ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইবুনালের কাছে আবেদন করে। কারণ হিসেবে ঋণের বোঝা, দামের যুদ্ধ এবং আইনি কারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচারপতি এমকে সাওয়ন্ত বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী শুনানিদর দিন ধার্য করেছেন ৮ মার্চ। ২০১৬-তে রিলায়েন্স জিও বাজারে আসার পর থেকেই নিজেদের বাজার হারাতে থাকে এয়ারসেল। বড় সংখ্যায় গ্রাহক হারায় তারা।
এয়ারসেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজারে তাদের ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন আার্থিক সংস্থার কাছে ঋণের পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বাকি রয়েছে টাওয়ার কোম্পানি, সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর, তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার কাছে।












Click it and Unblock the Notifications