এক মাসে আরও মুদ্রাস্ফীতি, দেখে নিন কীভাবে বেড়েছে দাম
এক মাসে আরও মুদ্রাস্ফীতি, দেখে নিন কীভাবে বেড়েছে দাম
পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ল। এমনটাই জানাচ্ছে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের তথ্য। ডিসেম্বরে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি লাফিয়ে বেড়ে ৫.৫৯ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে, প্রধানত খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে এই মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কতটা হয়েছে মুদ্রাস্ফীতি
কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) ভিত্তিক খুচরা মুদ্রাস্ফীতি ২০২১ সালের -নভেম্বর মাসে ছিল ৪.৯১ শতাংশ। ডিসেম্বর ২০২০ সালে তা ছিল ৪.৫৯ শতাংশ৷ অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে ১শতাংশ। জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বা এনএসও দ্বারা প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থবছরের ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আগের মাসে ১.৮৭ শতাংশের থেকে বেড়ে ৪.০৫ শতাংশে হয়ে গিয়েছে।
২০২১ সালের বিভিন্ন সময়ের মূল্যবৃদ্ধি
মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কায় বাজারে আগুন। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত নভেম্বরে খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বেড়ে হয়েছে ৪.৯১ শতাংশ। ২০২১ সালে অক্টোবরে ৪.৪৮ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.৯৩ শতাংশ। তথ্য বলছে, গ্রামীণ এলাকায় কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ২০২১ সালে নভেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি হয়েছিল ৪.২৯ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এই মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫.৫৪ শতাংশ। অক্টোবরে খুচরো বাজারে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪.৪৮ শতাংশে পৌঁছয়। সেপ্টেম্বরে এই বৃদ্ধি ৪.৩৫ শতাংশ ছিল। তেল এবং ফ্যাটজাতীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির হার ২৯.৬৭ শতাংশ। জ্বালানি ও আলোতে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল ১৩.৩৫ শতাংশ এবং পরিবহন ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল ১০.০২ শতাংশে। গৃহস্থালী পণ্য ও পরিষেবা ক্ষেত্রে ২০২১ সালে নভেম্বরে ৬.৪১ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। পোশাক এবং জুতোর বাজারে ৭.৯৪ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি হয়। নন-অ্যালকোহলিক পানীয়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৬৫ শতাংশ।












Click it and Unblock the Notifications