Retail inflation: দাম কমছে খুচরো বাজারে, ৫ বছরে সর্বনিম্ন খুচরো মুদ্রাস্ফীতি, টার্গেট পূরণে কতটা এগোল RBI
আলু ৫০ টাকা, পেঁয়াজ, টমেটো ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধির জেরে নাকের জলে চোখের জলে দশা হয়েছিল আম জনতার। সেই খুচরো মুদ্রাস্ফীতি অনেকটাই কমেছে জুলাই মাসে। অন্তত পরিসংখ্যান সেটাই বলছে।
সেই খুচরো মুদ্রাস্ফীতি নাকি জুলাই মাসে অনেকটাই কমেছে। ৩.৫৪ শতাংশ হয়েছে। গত ৫ বছরে নাকি সবচেয়ে কম হয়েছে মুদ্রাস্ফীতি জুলাই মাসে। বাজেট অধিবেশনে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেছিলেন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে সরকার। শীঘ্রই সেটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নাকি মুদ্রাস্ফীতি ৪ শতাংশে নামিয়ে আনার টার্গেট নিয়েছিল। তাতে সফলও হয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

গত কয়েক মাস ধরে গোটা দেশে শাক সবজি থেকে শুরু করে আনাজ পাতি সব কিছুর দামই আকাশ ছোঁয়া হয়ে গিয়েছে। তাতে ফড়েদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। কারণ যে সব সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া হয়ে গিয়েছিল গত কয়েক মাসে ধরে। সাধারণ আলু সেদ্ধ ভাত খাওয়ার খাওয়াতেও ধাক্কা আসছিল পকেটে। ৫০ টাকা কেজি আলু। কাঁচা লঙ্কা পৌঁছে গিয়েছিল ৩০০ টাকা কেজিতে।
জানা গিয়েছে শহরাঞ্চলে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি কমেছে ২.৯৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সেটা ছিল ৭.২০ শতাংশ। আর গ্রামীণ মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ৪.১০ শতাংশ হয়ে কমেছে ২০২৩ সাালের জুলাই মাসে সেটি ছিল ৭.৬৩ শতাংশ। ২০২৩ সালের জুন মাসের তুলনায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সেটা অনেকটাই কমেছে।
সবচেয়ে বেশি দাম করেছে মশলার তারপরে দাম কমেছে তেলের। তবে অ্যালকোহলহীন খাবারের দাম অনেকটাই বেড়েছে। আর মুদ্রাস্ফীতি চরমে ওঠায় সবচেয়ে বেশি চাম চড়েছিল ডালের। বছরে ১৪.৭৭ শতাংশ দাম বে়ড়ে গিয়েছিল। তারপরে দাম বেড়েছিল কাঁচা শাক সবজির। ভারতের সব রাজ্যের মধ্যে অসম এবং উত্তর প্রদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে ঝাড়খণ্ড. দিল্লি, রাজস্থান এবং ছত্তিশগড়ে সবচেয়ে কম মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications