আরবিআই-এর কড়া পদক্ষেপ! দেশের মধ্যে অর্থ স্থানান্তরের নিয়ম আরও কঠোর
দেশের মধ্যে অর্থ স্থানান্তরের নিয়ম আরও কঠোর করল আরবিআই। নগদ পে-ইন এবং পে-আউট পরিষেবা উভয় ট্র্যাক রাখার জন্য গার্হস্থ্য অর্থ স্থানান্তরের কাঠামো শক্ত করা হয়েছে। বুধবার জারি করা সার্কুলারে আরবিআই বলেছে, নগদে পে-আউট পরিষেবার ক্ষেত্রে, রেমিটিং ব্যাঙ্ক সুবিধাভোগীর নাম ও ঠিকানার একটি রেকর্ড পাবে এবং তা রাখতে হবে।
সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নগদ পে-ইন পরিষেবার ক্ষেত্রে রেমিটকারী ব্যাঙ্ক কিংবা ব্যাঙ্ক বা ব্যবসায়িক সংস্থা মাস্টার নির্দেশ অনুসারে একটি যাচাইকৃত সেলনম্বর এবং একটি স্ব-প্রত্যয়িত অফিসিয়াল ভ্যালিড ডকুমেন্ট ওপর ভিত্তি করে রেমিটরকে নিবন্ধন করতে হবে।

এছাড়া একজন প্রেরক দ্বারা প্রতিটি লেনদেন একটি অতিরিক্ত ফ্যাক্টর অফ অথেনটিকেশন দ্বারা যাচাই করতে হবে। সার্কুলারে বলা হয়েছে রেমিটিং ব্যাঙ্ক এবং তাদের ব্যবসায়িক সংস্থা আয়কর আইনের ১৯৬১-র বিধান এবং নগদ আমানতের সঙ্গে সম্পর্কিত সময় সময় সংশোধিত বিধি গুলি মেনে চলতে হবে।
সেখানে আরও বলা হয়েছে আইএমপিএস এবং এনইএফটি লেনদেনের অংস হিসেবে প্রেরক ব্যাঙ্ক রেমিটর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করবে। পাশাপাশি তহবিল স্থানান্তরকে চিহ্নিত করতে বেনদেনের বার্তায় একটি সনাক্তকারী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে আরবিআই জানিয়েছে কার্ড-টু-কার্ড স্থানান্তরের নির্দেশিকাগুলি ডিএমটি কাঠামোর পরিধি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই জাতীয় উপকরণগুলির জন্য প্রদত্ত নির্দেশিকাগুলির অধীন পরিচালিত হবে।
আরবিআই ব্যাখ্যা করে বলেছে, ২০১১ সালে ডেমেস্টিক মানি ট্রান্সফার-এর কাঠামো চালু হওয়ার পর থেকে, ব্যাঙ্কিং আউটলেটগুলির প্রাপ্যতা, তহবিল স্থানান্তরের জন্য অর্থপ্রদানের ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কেওয়াইসির প্রয়োজনীতা বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের কাছে তহবিল স্থানান্তরের জন্য একাধিক ডিজিটাল বিকল্প তৈরি হয়েছে।
আরবিআই-এর তরপে জানানো হয়েছে, বর্তমান কাঠামোয় বিভিন্ন পরিষেবাগুলির পর্যালোচনার পরে এই পরিবর্তনগুলি চালু করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications