পোস্ট অফিসেও রয়েছে লাভজনক স্কিম, সরকারি গ্যারান্টিতে টাকা দ্বিগুণ
পোস্ট অফিসেও রয়েছে লাভজনক স্কিম, সরকারি গ্যারান্টিতে টাকা দ্বিগুণ
বহু মানুষ নিরাপদ বিনিয়োগের (investment) রাস্তা খোঁজেন। সঙ্গে টাকার বৃদ্ধিও যাতে হয়, তাও নজরে রাখেন অনেকে। সেক্ষেত্রে ভারত সরকারের ডাক বিভাগের যে বিনিয়োগ প্রকল্পগুলি রয়েছে, তা যথেষ্টই ভাল। একদিকে ঝুঁকি হীন এবং অন্যদিকে ভাল বিকল্প। কেউ যদি দীর্ঘ মেয়াদি ভিত্তিতে বিনিয়োগ করতে চান তাহলে পোস্ট অফিসের (post office) কিষাণ বিকাশ পত্রে (kishan vikas patra) বিনিয়োগ করতে পারেন।

কিষাণ বিকাশ পত্র কী?
কিষাণ বিকাশ পত্র হল ভারত সরকারের এককালীন বিনিয়োগ প্রকল্প, যার অধীনে যে কোনও পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যায়। কিষাণ বিকাশ পত্র দেশের সমস্ত পোস্ট অফিস এবং বড় ব্যাঙ্কেও পাওয়া যায়। এই প্রকল্পে ১২৪ মাসে টাকা দ্বিগুণ হয়। অর্থাৎ এই প্রকল্পে ম্যাচিওরিটির সময় ১২৪ মাস। সব থেকে কম ১০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। এর অধীনে সর্বাধিক বিনিয়োগের কোনও উর্ধ্বসীমা নেই। কিষাণ বিকাশ পত্র সার্টিফিকেটের আকার বিনিয়োগ করা হয়। এখানে এক হাজার, পাঁচ হাজার, ১০ হাজার এবং ৫০ হাজার টাকার সার্টিফিটেক আছে, যা কেনা যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
এই প্রকল্পে বিনিয়োগের সীমা না থাকায় অর্থ পাচারের ঝুঁকি রয়েছে সরকারের। তাই সরকারের তরফে ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্যান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর সঙ্গে একটি পরিচয় পত্র হিসেবে আধার দিতে হবে। যদি কেউ এই প্রকল্পে ১০ লক্ষ টাকা কিংবা তার বেশি বিনিয়োগ করেন, তাহলে তাঁকে আয়ের প্রমাণ জমা দিতে হবে। যেমন আইটিআর, বেতনের স্লিপ কিংবা ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট।

কীভাবে সার্টিফিকেট কেনা যাবে
১) একজনের নামে, যা নিজের কিংবা নাবালকের নামে কেনা যায়।
২) জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট সার্টিফিকেট, যা যৌথভাবে দুই প্রাপ্তবয়স্ককে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে উভয়েই কিংবা যিনি জীবিত থাকবেন, তাঁকে দেওয়া হয়।
৩) জয়েন্ট বি অ্যাকাউন্ট সার্টিফিকেট, এটি যৌথভাবে দুজন প্রাপ্ত বয়স্ককে দেওয়া হয়। দুজনের মধ্যে যে বা যাঁরা জীবিত, তাঁদের অর্থ দেওয়া হয়।

কিষাণ বিকাশ পত্রে বৈশিষ্ট্য
১) এই প্রকল্পে গ্যারান্টিযুক্ত রিটার্ন পাওয়া যায়, যা বাজারের ওঠা-নামার সঙ্গে যুক্ত ন, তাই এই বিনিয়োগ নিরাপদ।
২) এই প্রকল্পে সময় শেষ হওয়ার পরে সম্পূর্ণ টাকা পাওয়া যায়।
৩) এই প্রকল্পে আয়কর আইনের ৮০ সি ধারায় কর ছাড় পাওয়া যায় না।
৪) এর ওপরে রিটার্ন করযোগ্য। ম্যাচিওরিটির পরে টাকা তোলায় কোনও কর নেই।
৫) এই স্কিমে ৩০ মাসের লক-ইন পিরিয়ড রয়েছে। এই সময়ের আগে টাকা তোলা যাবে ন। তবে যদি কোনও বিনিয়োগকারী মারা যান, কিংবা আদালতের নির্দেশ না থাকে তবেই এই নির্দেশিকা প্রযোজ্য।
৬) কিষাণ বিকাশ পত্রকে জমানত হিসেবে রেখে ঋণ পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications