Personal Loan Disadvantages: ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে এইসব কাজ কখনই নয়! লাভের থেকে ক্ষতি অনেক বেশি
Personal Loan Disadvantages: সমস্যায় পড়লে, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অনেকেই ঋণ নেন। নতুন বাড়ি কিংবা গাড়ি কেনার জন্যও মানুষ ঋণ নিয়ে থাকে। অনেক সময় ব্যবসার প্রয়োজনেও অনেকে ঋণ নেন। ঋণ নিয়ে যেমন উনেকে উপকৃত হন, আবার অনেক ক্ষেত্রে ঋণ নেওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, কেউ বিনিয়োগের প্রচুর আয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। সেক্ষেত্রে কেউ মনে করতে পারেন, টাকা বিনিয়োগ করে বড় অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এক্ষেত্রে সমস্যা হল হাতে বিনিয়োগ করার মতো টাকা নেই। এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করলেন।

পরবর্তী সময়ে দেখলেন, যা ভেবেছিলেন, তা ভুল। সেই বিনিয়োগ থেকে সঠিক রিটার্ন আসছে না। এই পরিস্থিতিতে ঋণের জালে আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় খরচের জন্য ঋণ মানুষদের ঋণের ফাঁদে ঠেলে দেয়।
পার্সোনাল অর্থাৎ ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার সময় বেশ কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। যদি আয় এই ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট হয়, তাহলেই ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া যেতে পারে। তবে ঋণের অনুমোদনের আগে ব্যাঙ্ক থেকে আয়, চাকরি, ক্রেডিট স্কোর, ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা, অতীতের আর্থিক রেকর্ডের মতো জিনিসগুলি পরীক্ষা করে নেওয়াটা জরুরি।
ব্যক্তিগত ঋণ একটি অনিরাপদ ঋণ। তাই কোনও সম্পদ বন্ধক রাখার প্রয়োজন নেই। একটি অনিরাপদ ঋণ হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত ঋণের সুদের হার হোম লোন, গাড়ির লোনের তুলনায় অনেক বেশি। ব্যক্তিগত ঋণে বেশি সুদ ছাড়াও, প্রসেসিং ফি, ইএমআই বাউন্স চার্জ, প্রি-পেমেন্ট বা ফোর্স ক্লোজার চার্জ, লোন প্রসেসিং এবং প্রি পেমেন্টের ওপরে জিএসটির মতো চার্জ রয়েছে।
এত কিছুর পরেই বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া যেতে পারে। তবে এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া উচিত নয়। কোনও বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করলে একসঙ্গে টাকা পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই সময় ইএমআই বিকল্প বেছে নিতে হবে।
অনেকেই দামি মোবাইল ফোন, কেনাকাটা ও ভ্রমণের জন্য ঋণ নিয়ে থাকেন। এগুলি প্রয়োজন নয়, শখের। তাই এইসবের জন্য পার্সোনাল লোন নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বেশি সুদের সঙ্গে ইএমআই দেওরা পরিবর্তে প্রতিমাসে সঞ্চয় করা অর্থে শখ মেটানো ভাল।
অনেকে বেশি লাভের কথা ভেবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে থাকেন। সেখানে ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। যদি সেই বিনিয়োগে রিটার্ন খারাপ হয়, তাহলে অর্থ আটকে যায়। সেক্ষেত্রে সমস্যা বেড়ে যায়।
অনেক সময় আবেগের বশবর্তী হয়ে অন্যকে সাহায্য করতে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে থাকেন। এটাও একটা বড় ভুল। যাঁর জন্য লোন, তিনি যদি ইএমআই না দেন, তাহলে সেই ঋণের বোঝা যিনি নিয়েছেন, তাঁর ওপরেই পড়ে। কারণ লোন যিনি নিয়েছেন, পরিশোধের দায় তাঁরই। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ক্রেডিট স্কোর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ব্যক্তিগত ঋণ, ব্যক্তিগত প্রয়োজনের জন্যই, অন্য কোনও কাজের জন্য নয়।












Click it and Unblock the Notifications