Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ভারতে এবার 'আত্মনির্ভর' দিওয়ালি! চিনের ক্ষতি প্রায় ৫০ হাজার কোটির

ভারতে চলছে উৎসবের মরশুম। এই উৎসবের মরশুমেই (festival season) অন্য বছরগুলিতে ভারতের বাজারে বড় ব্যবসা করে থাকে চিনের (China) বিভিন্ন ছোট-বড় সংস্থা। কিন্তু ভারতের বাজারে পণ্য বয়কটের (boycott of products) জেরে ধাক্কা

ভারতে চলছে উৎসবের মরশুম। এই উৎসবের মরশুমেই (festival season) অন্য বছরগুলিতে ভারতের বাজারে বড় ব্যবসা করে থাকে চিনের (China) বিভিন্ন ছোট-বড় সংস্থা। কিন্তু ভারতের বাজারে পণ্য বয়কটের (boycott of products) জেরে ধাক্কা খেয়েছে চিন। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের হিসেব অনুযায়ী, একটি মরশুমেই চিনের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটির আশপাশে।

গতবছরের মতো এবারেও চিনা পণ্য বয়কটের ডাক

গতবছরের মতো এবারেও চিনা পণ্য বয়কটের ডাক

করোনা পরিস্থিতি শুরুর পরেই দেশের সাধারণ মানুষের সামনে চলে আসে চিনের ওপরে বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের জনগণের নির্ভরতার কথা। সেই সময় থেকে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দেওয়া শুরু হয়েছিল। গত বছক দিওয়ালির আগে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এবারও সেই ডাক দেওয়া হয়েছে। ফলে এবার চিন সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার কোটির ব্যবসা হারাবে বলেই দাবি করছে দেশের বাণিজ্য মহল।

বাজি এবং সস্তার পণ্য বয়কটে লাভ দেশের বাজারে

বাজি এবং সস্তার পণ্য বয়কটে লাভ দেশের বাজারে

ভারতীয়রা চিনে তৈরি বাজি এবং সস্তার আলোকসজ্জার জিনিস বয়কট করেছে উৎসবের এই মরশুমে। যার একটা ভাল প্রভাব অবশ্যই পড়েছে দেশের বাজারে। দেশীয় শিল্পকে বেছে নিয়েছেন সাধারণ মানুষ। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতে দেশীয় বাজারে এই দিওয়ালির মরশুমে দেশের বাজার বৃদ্ধি পাবে। সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণে দিওয়ালিতে ২ লক্ষ কোটির ব্যবসা হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছে এই সংস্থা।

দেশের বাজারে দেশীয় পণ্যের চাহিদা

দেশের বাজারে দেশীয় পণ্যের চাহিদা

বাণিজ্য সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে, এবার দেখা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষ চিনের পণ্য নয়, দেশীয় পণ্যের খোঁজ করেছেন কিংবা করছেন। যার জেরে দেশের বাজারেই দেশীয় পণ্যের চাহিকদা বৃদ্ধিতে দেশের অর্থনীতি লাভবান হয়েছে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের তরফে জানানো হয়েছে তাদের তরফে দেশের ২০ টি শহরে এব্যাপারে সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। শিষে করে দিওয়ালির জিনিসপত্র, বাজি এবং আলোকসজ্জার জিনিসের ওপরে এই সমীক্ষা চালানো হয়। শহরগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন দিল্লি, আহমেদাবাদ, মুম্বই, নাগপুর, জয়পুর, লখনৌ, চণ্ডীগড়, রায়পুর, ভুবনেশ্বর, কলকাতা, রাঁচি, গুয়াহাটি, পটনা, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, মাদুরাই, পণ্ডিরেতী, ভোপাল এবং জম্মুতে।

বছরের ৫ মাসে সব থেকে বেশি চিনা পণ্য আমদানি করা হত

বছরের ৫ মাসে সব থেকে বেশি চিনা পণ্য আমদানি করা হত

রাখি থেকে নতুন বছর উৎযাপন, এই পাঁচ মাসে সাধারণভাবে চিনের পণ্য আমদানি করতেন, দেশের ছোটবড় ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় ব্যবসায়ী এবং আমদানি কারকরা চিন থেকে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার জিনিসপত্র আমদানি করতেন। কিন্তু এবছরে রাখির সময়তেই চিন প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যবসা হারায়। তারপরেই ৫০০ কোটি ব্যবসা হারায় গণেশ চতুর্থীতে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+