Economic Survey 2025: বেকারত্ব হ্রাস থেকে কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়ন, এক নজরে কেন্দ্রের আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট
আগামীকাল সংসদে বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার আগে শুক্রবার কেন্দ্রীয় আর্থিক সমীক্ষা পেশ করলেন তিনি। এই আর্থিক সমীক্ষা মূলত সরকারের রিপোর্ট কার্ড হিসেবেই ধরা হয়। শুক্রবার সংসদে সংসদে পেশ করা আর্থিক সমীক্ষার দীর্ঘ রিপোর্টের প্রধান দিক গুলি তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।
আগামী দিনে দেশের অর্থনীতির হাল কোন দিকে যেতে পারে তার একটা পূর্বাভাস এদিনের অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে দিলেন নির্মলা সীতারমন। নিয়ম মেনেই বাজেটের আগে এই সমীক্ষা পেশ করা হল। তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ২০২৬ অর্থ বছরে ৬.৩% থেকে ৬.৮% এর মধ্যে হবে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি। ২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনীতি ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল আগামী দিনে এই বৃদ্ধির হার ৩.২ শতাংশ থাকবে বলে তিনি জানান।

এদিন সীতারমন উল্লেখ করেছেন, অর্থনীতিকে মুদ্রাস্ফীতি হার কমছে। মূলধন ব্যয় (capex), কেন্দ্রের মোট ব্যয়ের শতাংশ হিসাবে, ২০২১ সালের অর্থ বর্ষের তুলনায় ২০২৪ সালের অর্থবর্ষে ক্রমাগত উন্নতি হয়েছে৷ ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের পরে , জুলাই-নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারের মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.২ শতাংশ।রপ্তানি ক্ষেত্রে ভারতের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম রপ্তানি অর্থনীতিতে ভারত সপ্তম স্থানে আছে।
বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির গ্রস নন-পারফর্মিং অ্যাসেট অনুপাত ২০১৮ সালের অর্থবর্ষের থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ হয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে ২.৬ শতাংশের সর্বনিম্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল বেকারত্বের হার কমার কথা তুলে ধরা হয়েছে এই আর্থিক সমীক্ষায়। কেন্দ্রীয় আর্থিক সীমাক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৭ বছরে দেশে কমেছে বেকারত্বের হার করছে । সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের জুলাই-জুন মাসে যেখানে দেশের বেকারত্বের হার ছিল ৬ শতাংশ, সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের একই সময়ে দেশের বেকারত্বের হার ছিল ৩.২ শতাংশ। ফলে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বেকারত্ব নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠে। কেন্দ্র এই অভিযোগকে এবার মাঠের বাইরে পাঠাল।
একইসঙ্গে এই সমীক্ষা রির্পোটে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের দেশে লোকসভা ভোটের পর জুলাই-নভেম্বর সময়কালের মধ্যে দেশে মূলধনী ব্যয় বেড়েছে ৮.২ শতাংশ। যার ফলে দেশের অর্থনীতির প্রগতি হয়েছে। এই আর্থিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দেশের সমস্ত সেক্টর ভালো পারফরম্যান্স করছে। দেশের শিল্প ক্ষেত্র গুলি কোভিড পূর্ববর্তী পর্যায়ে ভালো জায়গায় পৌঁছেছে। এদিকে কৃষি ক্ষেত্রও আশানরূপ উন্নতি হয়েছে।
গ্রামীণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি পরিষেবা এবং অনুন্নত অঞ্চলগুলির মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমেছে।, যার ফলে সারা দেশে আর্থিক প্রগতি হয়েছে৷ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প সম্প্রসারণকে উৎসাহিত করেছে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসার উন্নয়নে হয়েছে , যার ফলে অর্থনৈতিক উন্নতির বজায় থেকেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারতের বহিরাগত সেক্টর মিশ্র প্রবণতা প্রদর্শন করেছে। মূলত অস্থির বৈশ্বিক অবস্থার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications