টম্যাটোর পরে এবার পেঁয়াজ! ঝাঁঝ লাগতে পারে সেপ্টেম্বরে, দাম হতে পারে দ্বিগুণের বেশি
টমেটো এখন ৫০০ গ্রাম বা এক কেজির হিসেবে নয়, ১০০ গ্রামের হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই টম্যাটো কেনা বাদ দিয়েছেন সবজির তালিকা থেকে। কবে তা সাধারণের খাবারের তালিকায় আসবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তারও মধ্যে আরও এক সবজির সম্ভাব্য দাম বৃদ্ধির খবর চোখে জল আনার পরিস্থিতি তৈরি করছে।
সেই সবজি হল পেঁয়াজ। সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের ঝাঁঝে চোখে জল আসতে পারে। এমনটাই পূর্বাভাস ক্রিসিলের। বর্তমান দামের তুলনায় দাম বাড়তে পারে দ্বিগুণের বেশি। সঙ্গে এটাই বলা হচ্ছে, এই দাম বৃদ্ধি চলতে পারে অক্টবোরের নতুন ফসল না কারা পর্যন্ত। শুক্রবার ক্রিসিল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ট অ্যানালিটিকস এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাহিদা ও সরবরাহের ফারাকের কারণে অগাস্টের শেষের দিক থেকে পেঁয়াজের দাম ধীরে ধারে বাড়বে। আর সেপ্টেম্বরের সেই দাম কেজি পিছু ৬০ থেকে ৭০ টাকায় পৌঁছে যেতে পারে। তবে এই দাম বৃদ্ধি ২০২০-র মতো হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাধারণভাবে রবি মরসুম যে পেঁয়াজ মাঠ থেকে তোলা হয়, সেগুলি বেশি দিন টেকে না। এগুলি এক থেকে ২ মাসের মধ্যে পচে যায়। বর্তমানে অনেকেই ফেব্রুয়ারি-মার্চের সময়ের আতঙ্কে পেঁয়াজ কিনতে শুরু করেছেন। ফলে খোলা বাজারে পেঁয়াজের মজুত কমতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে অগাস্টের শেষের দিকে মজুত অনেকটাই কমে যাবে। যে কারণে দাম বৃদ্ধি হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অক্টোবরে খরিফ পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে কাটা শুরু হবে। সেই সময় থেকে দাম নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা। সাধারণভাবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকে।
এবছর জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম কম থাকায় স্বস্তি পেয়েছিলেন দেশবাসী। তবে এই সময় ডা, শস্য ও অন্য সবজির জাম বেড়েছে। সেই প্রেক্ষিতে অনেক খরিফ মরসুমে কম পেঁয়াজ বপন করেছেন। যে কারণে এবার পেঁয়াজের ফলন ৮ শতাংশ কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে এবার পেঁয়াজের ফল গত বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এবছর পেঁয়াজের বড় কোনও ঘাটতি হবে না বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর যাই হোক না কেন পেঁয়াজের ফলন নির্ভর করছে অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরের বৃষ্টিপাতের ওপরে।












Click it and Unblock the Notifications