দুই হাজার টাকা বিনিয়োগে কোটিপতিও হতে পারেন, মাধ্যম হতে পারে পোস্ট অফিস
ভবিষ্যৎ জীবনকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করতে চাইলে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। তবে সেখানেই অনেকেই ভাবতে পারেন যেখানে প্রতিমাসে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করছি, তখন কী বিনিয়োগ করা প্রয়োজন?
আবার একই সময়ে অনেক ফোঁটা জলের মতো দীর্ঘ সময়ের জন্য অল্প পরিমাণে বিনিয়োগে আরও ভাল সঞ্জয় করা যেতে পারে। এই ব্যাপারে মাধ্যম হতে পারে পোস্ট অফিস।

পোস্ট অফিসের অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট। পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট প্রতিমাসে অল্প পরিমাণ বিনিয়োগ করে বড় সঞ্চয়ে সাহায্য করে।
পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিটের মেয়াদ পাঁচ বছর। পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিটে প্রতিমাসে ন্যূনতম বিনিয়োগের সীমা একশো টাকা। তবে ওপরের দিকে কোনও সীমা নেই। এখানে প্রবীণ নাগরিকদের অতিরিক্ত কোনও সুদ দেওয়া হয় না। এই মুহূর্তে প্রতিমাসে সুদের হার ৬.৭ শতাংশ। সরকার ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সুদ পর্যালোচনা করে থাকে।
আঠারো বছরের বেশি বয়সী যে কেউ এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন। যৌথ অ্যাকাউন্ট খোলা ও পুনরায় বিনিয়োগের সুবিধাও পাওয়া যায়। নগদ বা চেকের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। আমানতকারী মাসিক টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হলে প্রতি ১০০ টাকায় ১ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। আর মাসিক পেমেন্ট যদি চারবার মিস হয়ে যায়, তাহলে অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করে দেওয়া হয়।
যদি কেউ দুই হাজার টাকা হিসেবে প্রতিমাসে পাঁচ বছরের জন্য রেকারিং ডিপোজিট স্কিমে বিনিয়োগ করেন, তাহলে তাঁকে বছরে জমা দিতে হবে ২৪ হাজার টাকা। পাঁচ বছর শেষে বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে একলক্ষ কুড়ি হাজার টাকা। সুদের হার ৬.৭ শতাংশ হলে ম্যাচুরিটিতে পাওয়া যাবে ১,৪২,৭৩২ টাকা। মাসে মাসে কেউ এর থেকে বেশি বিনিয়োগ করতে পারলে আরও বেশি উপার্জন করা যাবে।
পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট স্কিমে ঋণের সুবিধা পাওয়া যায়। বারো কিস্তি জমা করার পরে বিনিয়োগকারীরা অ্যাকাউন্ট ব্যালান্সের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত টাকা ঋণ হিসেবে পেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications