ভারতের আর্থিকবৃদ্ধির হার কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারবে না, দায়ী জিএসটি ও নোট বাতিল
প্রথমে নোট বাতিল ও তারপর জিএসটি। এই দুয়ের জেরে আগামী অর্থবর্ষে আর্থিকবৃদ্ধির হার কিছুটা কমবে ভারতের, এমনই সম্ভাবনার কথা জানাল দ্য অর্গানাইজশেন ফর ইকনমিক কো- অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট।
প্রথমে নোট বাতিল ও তারপর জিএসটি। এই দুয়ের জেরে আগামী অর্থবর্ষে আর্থিকবৃদ্ধির হার কিছুটা কমবে ভারতের। এমনই সম্ভাবনার কথা জানাল দ্য অর্গানাইজশেন ফর ইকনমিক কো- অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। ওইসিডি-র তথ্য অনুযায়ী ভারতের আর্থিকবৃদ্ধির হার চিনের তুলনায় পিছিয়ে থাকবে।

১০১৭-১৮ অর্রবর্ষে দেশের আর্থিকবৃদ্ধির হার ৭.৩ শতাংশ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওইসিডি-র দাবি, ওই লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়া সম্ভব হবে না কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে। বরং সেই বৃদ্ধির হার ৬.৭ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে। অপরদিকে চিনের আর্থিকবৃদ্ধির হার ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনের আর্থিক বৃদ্ধির হার ২০১৭ অর্থবর্ষে ৬.৮ শতাংশে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল।
৩৫টি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষাকারী প্যারিসের এই সংস্থা আগেই ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিকবৃদ্ধির হার ৭.৭ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৭.২ শতাংশের পূর্বাভাস দিয়েছে। অপরদিকে চিনের আর্থিকবৃদ্ধির হার বাড়ার ইঙ্গিতই দিয়েছে ওইসিডি। জিএসটি-র কারণেই আর্থিকবৃদ্ধির হারে ধাক্কা খেলেও পরবর্তী সময়ে কিন্তু এই জিএসটিই ভারতের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে বলে ওইসিডি-র তথ্যে জানানো হয়েছে।
তবে গ্লোবাল জিডিপি-র হার ২০১৬-র তুলনায় বাড়লেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কমই থাকবে। তবে রাশিয়া, চিন, জাপান, কানাডা ও ইউরোজোনের দেশগুলিতে জিডিপি-র হার ভালই বৃদ্ধি পাবে বলে ওইসিডি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications