অবসরের পরে প্রবীণ নাগরিকদের মাসিক আয় ও বিনিয়োগের বিকল্পগুলি
অবসরগ্রহণের পরে জীবনযাত্রা টিকিয়ে রাখতে প্রবীণ নাগরিকদের মাসিক আয় অব্যাহত রাখা জরুরি। এই পরিস্থিতিতে এমন কিছু স্কিম রয়েছে, যেখানে প্রবীণ নাগরিকরা বিনিয়োগ করে উপকৃত হতে পারেন। এছাড়াও এমন প্রকল্পও রয়েছে, যেখানে লক্ষাধিক টাকার তহবিলও তৈরি করা যেতে পারে।
নিম্ন লিখিত তিনটি বিনিয়োগের উপায়ে লাভবান হতে পারেন সিনিয়র সিটিজেনরা।

সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম
৬০ বছর বয়সের বেশি প্রবীণ নাগরিকরা স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম-এ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং নিয়মিত সুদের আয় পেতে পারেন। এক্ষেত্রে সুদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিকে দেওয়া হয়। টাকার মূল পরিমাণের ওপরে ৫ বছরের লক ইন পিরিয়ড রয়েছে।
৬০ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ এই সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমের জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। ন্যূনতম জমার পরিমাণ এক হাজার টাকা এবং তারপর এক হাজার টাকার গুণিতকে, যার সর্বোচ্চ সীমা ৩০ লক্ষ চাকা। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমের অ্যাকাউন্ট এককভাবে বা স্ত্রীর সঙ্গে যৌথভাবে খোলা যেতে পারে। এই স্কিমটি ৮০সি ধারায় করছাড়ের যোগ্য।
পোস্ট অফিস মান্থলি ইনকাম স্কিম
এটিও পোস্ট অফিসের একটি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প। এটির বিনিয়োগের সময়সীমা ৫ বছর। একক অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগের সীমা ৯ লক্ষ টাকা আর যৌথ অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা। অ্যাকাউন্ট খোলার তারিখ থেকে এক মাস পূর্ণ হলে এবং মেয়াদপূর্তি পর্যন্ত সুদ দেওয়া হয়। এখানে কোনও কর ছাড়ের সুবিধা নেই। সুদ সম্পূর্ণ করযোগ্য।
ফিক্সড ডিপোজিট
রাষ্ট্রায়ত্ত কিংবা বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্কে বিভিন্ন মেয়াদের ফিক্ড ডিপোজিট করা যায়। এখানে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সাধারণভাবে ০.৫০ শতাংশ অতিরিক্ত সুদ দেওয়া হয়ে থাকে। এই এফডির সুদ বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত বিরতিতে দেওয়া হয়ে থাকে। তার মধ্যে রয়েছে মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাষিক এবং বার্ষিক। ব্যাঙ্কগুলি আমানতের মেয়াদের ক্ষেত্রে নমনীয়তা প্রদান করে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications