India's Strength: এই তিন শক্তিই হাতিয়ার ভারতের! অর্থনীতিতে আমেরিকাকে পিছিয়ে দিতে মোক্ষম দাওয়াই
এই মুহূর্তে ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। যে গতিতে ভারতের অর্থনীতি চলছে, তাতে আগামী দিনে অনেক রেকর্ড ভাঙতে চলেছে (India's Strength)। ভারতের আগে এই মুহূর্তে অর্থনীতিতে এগিয়ে রয়েছে আমেরিকা, চিন, জাপান ও জার্মানি।
গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি গতিশীল। ধাপে ধাপে এগিয়েছে ভারত। জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ২০২২-২৩ আর্থির বছরে ভারতের জিডিপি ৭.২ শতাংশ। যা এই সময়ের মধ্যে সারা বিশ্বে সর্বোচ্চ।

ভারত ব্রিটেনকে ইতিমধ্যে ষষ্ঠস্থানে ঠেলে দিয়ে নিজেরা অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। ভারতের জিডিপি ২০২৩-এ ৩.৭৫ ট্রিলিয়ম ডলারে বৃদ্ধি পাবে (India's Strength) বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৪ সালে যা ছিল ২ ট্রিলিয়ন ডলারের।
এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা ভারতকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুরু করেছে। বলা হচ্ছে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। ২০৭৫ সাল নাগাদ ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে বলে জানাচ্ছে এক আর্থিক বিশ্লেষণকারী সংস্থা। এমনটাই প্রকাশিত হয়েছে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে।
ওই আর্থিক বিশ্লেষণকারী সংস্থার সদর দফতর নিউইয়র্কে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০৭৫ সালে ভারত অর্থনীতিতে আমেরিকাকেই পিছনে ফেলবে না (India's Strength), ভারত চিনের থেকে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ভারতের প্রতিভা, শ্রমশক্তি এবং সর্বোচ্চ কর্মমুখী জনসংখ্যা অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগাবে। ওই প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে ২০৭৫ সালে ভারতের অর্থনীতি ৫২.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে আমেরিকার জিডিপিকে পিছনে ফেলে। সেই সময় আমেরিকা ও চিনের অর্থনীতি থাকবে যথাক্রমে ৫১.৫ এবং ৫৭ ট্রিলিয়ন ডলারের।
আর্থিক বিশ্লেষণকারী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এক বাঙালি অর্থনীতিবিদ শান্তনু সেনগুপ্ত বলেছেন, আগানী দুদশকে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ভারতের নির্ভরশীলতার অনুমাত সব থেকে কম হবে। তিনি আরও বলেছেন, ভারতের জনসংখ্যার কর্মক্ষম বয়স এবং শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যে অনুপাত রয়েছে, সেটাই অর্থনীতিকে (India's Strength) উৎসাহিত করবে।












Click it and Unblock the Notifications