চরমে মুদ্রাস্ফীতি, ২০২৩ অর্থবর্ষে দেশের GDP বৃদ্ধির মান কমাল ADB
চরমে মুদ্রাস্ফীতি, ২০২৩ অর্থবর্ষে দেশের GDP বৃদ্ধির মান কমাল ADB
করোনা কাটিয়ে নাকি অনেকটাই চাঙ্গা ভারতের অর্থনীতি। এদিকে জিডিপি বৃদ্ধি নিয়ে দুঃসংবাদ শোনাল ADB বা এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক। তার অন্যতম কারণ দাবানলের গতিতে বেড়ে চলা মুদ্রস্ফীতি। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির মান ৭.২শতাংশ রেখেছিল এশিয়ান ব্যাঙ্ক। সেটা এক ধাপে ২শতাংশ কমিয়ে ৭ শতংশ করে দিয়েছে তারা।

জিডিবি বৃদ্ধির মান কমল
বছর শেষের আগেই জিডিপি বৃদ্ধি আগাম পূর্বাভাসে বদল করল এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.২ করেছিল তারা। ২০২২ শেষ হওয়ার আগে সেই মান কয়েক ধাপ কমিয়ে দিয়েছে এই সংস্থা।২০২৩-অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি ৭ শতাংশ থাকবে বলে জািনয়েছে তারা। অর্থাৎ আগেরপূর্বাভাসের থেকে ২ শতাংশ কমিয়ে নতুন করে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মার্চেই শেষ হয়ে যাবে ২০২২ অর্থ বর্ষ। আর মাত্র কয়েকটা মাস হাতে রয়েছে। তাতেই অর্থনীতির হাওয়া যে খাতে বইছে তাতে জিডিপি বৃদ্ধির পথ খুব একটা সুগম হবে না বলে মনে করছে এই সংস্থা।

মুদ্রাস্ফীতি কাঁটা
হঠাৎ করে জিডিপি বৃদ্ধি কমানের নেপথ্যে রয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। লাগাম ছাড়া মুদ্রাস্ফীতিতে জেরবার দেশবাসী। দুই অঙ্কের সংখ্যার নীচে নামছেই না সেটি। গত বছর দীপাবলীর সময় মুদ্রাস্ফীতি সর্বকালীন রেকর্ড ছাড়িয়েছিল। সেটা ধাপে ধাপে কিছুটা কমলেও তেমন চোখে পড়ার মচ কিছু ঘটেনি। উল্টে গত কয়েক মাসে মুদ্রাস্ফীতি রেকর্ড জায়গায় পৌঁেছ গিয়েছিল। তাতে রাশ টানতে পর পর ৩ বার রেপোরেট বাড়াতে হয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে। পেট্রোল ডিজেলের দামে রাশ টানতে শুল্ক মকুব করতে হয়েছে। নইলে ভারতেরও শ্রীলঙ্কার মত পরিস্থিতিতহত।

টাকার দামে পতন
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও ধাক্কা খাচ্ছে ভারত। ডলারের তুলনায় টাকার দাম লাগাতার কমে চলেছে। টাকার দামে এই পতনের কারণে বিপুল ধাক্কা খাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মোটা টাকা দিয়ে জিিনস কেনাবেচা করতে হচ্ছে। তাতে কোষাগারে ধাক্কা আসছে।এদিকে আবার এবার কম বর্ষণ হয়েছে দেশে। তার জেরে একাধিক ফসলের উৎপাদন ধাক্কা খেয়েছে। তাতে উৎসবের মরশুমে আরও জিনিসের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

চিনের অর্থনীতিতে ধাক্কা
এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে চিনের অর্থনীিত নিয়েও পূর্বাভাসের মান কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ অর্থবর্ষে চিেনর অর্থনৈতিক মান ৫ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৩.৩ শতাংশ করা হয়েছে। করোনা কালে দফায় দফায় লকডাউনের পথে হেঁটেছে চিন। তার জেরে একাধিক উৎপাদন শিল্প ধাক্কা খেয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতে। বৈদেশিক বাণিজ্যও ধাক্কা খেয়েছিল করোনার কারণে। সেটা ধীরে ধীরে চাঙ্গ হয়ে উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications