প্রবীণ নাগরিকদের কর বাঁচানোর অনেক উপায় রয়েছে! আয়কর আইনে রয়েছে আলাদা ধারা
প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কর বাঁচানোর বিভিন্ন উপায় রয়েছে। তাঁরা অতিরিক্ত কর বাঁচাতে পারেন। ষায় থেকে আশি বছরের নাগরিকদের সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা কর ছাড় দেওয়া হয়। অন্যদিকে আশি বছরের বেশি বয়সীদের কর ছাড়ের সীমা পাঁচ লক্ষ টাকা। সেই কারণে প্রবীণরা সহজেই বেশি কর বাঁচাতে পারেন।
আয়কর আইনের 80TTB ধারায় ব্যাঙ্ক, সমবায় সমিতি বা পোস্ট অফিসে করা আমানতের ওপরে বার্ষিক পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পেতে পারেন। এই ছাড় ৮০ সি ধারায় দেড় লক্ষ টাকা কর ছাড়ের পরে বাড়তি ছাড়। ২০২০ সালের বাজেটে পঞ্চাশ হাজার টাকার এই কর ছাড় থেকে প্রবীণরা উপকৃত হতে পারে, এটি করের বোঝা কমাতে সাহায্য করে।

প্রবীণ নাগরিকরা ৮০ডি ধারায় মেডিক্যাল ইনসিউরেন্স প্রিমিয়ামে বেশি কর ছাড় দাবি করতে পারেন। এক্ষেত্রে নিজের কিংবা স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ কিংবা বিমা প্রিমিয়ামের ওপরে বার্ষিক পঞ্চাশ হাজার টাকা কর ছাড় দাবি করতে পারেন।
সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে বয়স্ক নাগরিকরা কর ছাড় পেতে পারেন। এটি ষাট বছর কিংবা তার বেশি বয়সীদের জন্য। এখানে সুদের হার বর্তমানে ৮.২ শতাংশ। এটি নিরাপদ ও আকর্ষণীয় বিনিয়োগের উপায়। ৮০সি ধারায় দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত যে কর ছাড় পাওয়া যায়, তার অধীনেই পড়ে সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম।
পিপিএফ অ্যাকাউন্টেও ৮০ সি ধারায় কর ছাড় পাওয়া যায়। এছাড়াও প্রবীণ নাগরিকরা ৮০ সি ধারার অধীনে এনএসসিতেও বিনিয়োগ করতে পারেন এবং কর ছাড়ের সুবিধা নিতে পারেন। এছাড়াও ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটেও প্রবীণরা বিনিয়োগ করতে পারেন এবং ৮০ সি ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা পেতে পারেন।
প্রবীণ নাগরিকরা এইসব উপায়ে কর ছাড়ের সুবিধা পেতে পারেন। আবার বাবা কিংবা মায়ের নামে টাকা রেখেও কর ছাড়ের সুবিধা পেতে পারেন অন্যরা। চলতি আর্থিক বছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪-এর জন্য কর ছাড়ের সীমা ৩১-এ মার্চ পর্যন্ত।












Click it and Unblock the Notifications