তৎকাল টিকিট নিয়ে বড় কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস, জানুন কীভাবে আপনার টিকিটে কব্জা করছে দালালরা
আইআরসিটিসি টিকিট কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস হয়েছে। তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের এক সফটওয়্যার প্রোগ্রামারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম অজয় গর্গ।
তৎকাল টিকিট কাটতে গিয়ে অসুবিধায় পড়েননি এমন মানুষ হাতেগোনা। আপনি নিজের বাড়ির কম্পিউটার থেকে অথবা রেলের রিজার্ভেশন কাউন্টার থেকে টিকিট কাটতে যাচ্ছেন, অথচ দেখছেন পারছেন না। এদিকে ট্রাভেল এজেন্টদের কাছে সেই টিকিটই চলে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে বেশি টাকা দিয়ে টিকিট কাটতে হয় অনেকেই।

তদন্তে দেখা গিয়েছে, পুরোটাই প্রোগ্রাম করা থাকে। তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের এক সফটওয়্যার প্রোগ্রামারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম অজয় গর্গ। বিভিন্ন রেল স্টেশনে রিজার্ভেশন সিস্টেমকে সফটওয়্যার দিয়ে হ্যাক করে এই কাজ করত সে। মাউসের এক ক্লিকেই একসঙ্গে শত শত রেলের টিকিট বুকিং হয়ে যেত।
প্রতিদিন সকালে ১০টা থেকে এসি ক্লাসের ও ১১টা থেকে নন-এসি ক্লাসের কোচের তৎকাল বুকিং হয় বিভিন্ন স্টেশনে। পরের দিনের ট্রেনের জন্য এই বুকিং হয়। নির্দিষ্ট কামরার কিছু নির্দিষ্ট করা সিট জরুরি ভিত্তিতে চাওয়া প্যাসেঞ্জারদের বিক্রি করা হয়।
বহুদিনের অভিযোগ ছিল, আইআরসিটিসি থেকে টিকিট বুকিং করতে গেলে মিনিটখানেকের মধ্যেই সমস্ত টিকিট বুক হয়ে গিয়েছে বলে দেখানো হতো। ফলে বুকিং করতে গেলে হয় তা বাতিল হতো অথবা নাম ওয়েটিং লিস্টে চলে যেত।
উপায় না দেখে ট্রাভেল এজেন্টকে ধরে চড়া দামে টিকিট কিনতে হয়েছে, এই অভিজ্ঞতা কম-বেশি সকলের রয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অজয় গর্গ ও তার সঙ্গী অনিল গুপ্ত একটি সফটওয়্যার তৈরি করে যা টিকিট বুকিং করতে সাহায্য করত। সেই সফটওয়্যারই চড়া দামে বিক্রি করা হয়েছে বিভিন্ন লোককে।
প্রক্সি আইপি অ্যাড্রেস, আইআরসিটিসি ক্যাপচা, ব্যাঙ্ক ওটিপি, একাধিক আইডি দিয়ে লগ ইন- এসবই এই সফটওয়্যারে করা যেত। ফলে অবৈধভাবে রেলের টিকিট বুকিং হয়ে যেত। যার ফলে বাড়ি থেকে বা রিজার্ভেশন কাউন্টারে দাঁড়িয়েও লক্ষ লক্ষ মানু। টিকিট কাটতে পারেন নি। খালি হাতে ফিরতে হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications