খাবার অর্ডার দিতে সমস্যায় পড়েছেন? বিভ্রাট সুইগি ও জোম্যাটোতে, ক্ষোভ সোশ্যাল মিডিয়ায়
লাঞ্চটাইমে অনেকেই ফুড অ্যাপ জ্যোমাটো ও সুইগিতে বুধবার ফুড অর্ডার দেওয়ার পর পাননি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একই সমস্যার মুখে পড়ছেন অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থার সুইগি ও জোম্যাটোর গ্রাহকরা। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভ্রাটের মুখে পড়েছে সুইগি এবং জোম্যাটো। জানা গিয়েছে, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস স্ন্যাগ, যার ওপর অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নির্ভরশীল, সেটার কারণেই এই সমস্যার মুখে পড়েছে ফুড ডেলিভারি অ্যাপের গ্রাহকরা।

তবে আধ ঘণ্টার মধ্যেই এই দুই ফুড অ্যাপ আবার কাজ করতে শুরু করে দেয়। কিন্তু তার আগেই খাবার অর্ডার করতে না পেরে গ্রাহকরা এই দুই ফুড অ্যাপের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরাতে শুরু করে দেয়। এই দুই উভয় সংস্থার কাস্টমার সহায়করা গ্রাহকদের শান্ত করতে জানান যে তারা এই 'অস্থায়ী ত্রুটি’র ওপর কাজ করছে। কাস্টমর সহায়কের পক্ষ থেকে বলা হয়, 'হাই। আমরা বর্তমানে আপনার অনুরোধ প্রক্রিয়া করতে অক্ষম কারণ আমরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির সম্মুখীন হয়েছি। চিন্তার কিছু নেই, আমাদের সর্বোত্তম মনোযোগ এতে রয়েছে এবং আমরা শীঘ্রই প্রস্তুত হয়ে উঠব।’
এক জোম্যাটো ডেলিভারি পার্টনার জানিয়েছেন যে অ্যাপের ত্রুটির কারণে মাঝপথেই গ্রাহকের অর্ডার সম্পূর্ণ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, 'অ্যাপ বন্ধ থাকায় আমি ডেলিভারির জন্য আসতে পারছি না।’ অন্যদিকে দক্ষিণ দিল্লির গ্রেটার কৈলাশ–১–এর রাস্তায় অপেক্ষারত এক ডেলিভারি বয় বলেন, 'অ্যাপ কাজ করছে না। জ্যোমাটোর নির্দেশে আমি ডেলিভার করতে পারিনি।’ প্রসঙ্গত ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই দুই প্ল্যাটফর্ম ভারতের অনলাইন ফুড ডেলিভারি বাজারে আধিপত্য বিস্তার করেছে।
প্রসঙ্গত, কীভাবে খাবারে এত বিরাট ছাড় দেয় জোম্যাটো–সুইগি, তা জানতে এবার দুই খাবার সরবরাহকারী সংস্থা সুইগি এবং জোম্যাটোর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল ভারতের প্রতিযোগিতা কমিশন। দুই কোম্পানি কীভাবে ব্যবসা করে সেনিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিযোগিতা আইনের ৩(১) ও ৩(৪) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে দুই সংস্থার বিরুদ্ধে।












Click it and Unblock the Notifications