৯ মে পর্যন্ত স্থগিত Go First-এর পরিষেবা! যাত্রীদের টাকা ফেরত দেবে সংস্থা?
অর্থনৈতিক সঙ্কটে দেশের বিমান সংস্থা Go First। আগামী ৯ মে পর্যন্ত সমস্ত বিমান পরিষেবা স্থগিত করেছে সংস্থা। যদিও এই অবস্থায় ইতিমধ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্যা সিদ্ধিয়া। কিন্তু হঠাত করে এই সিদ্ধান্তে সমস্যার মধ্যে যাত্রীরা।
এই অবস্থায় ময়দানে নেমেছে ডিডিসিএ (DGCA)। আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত বিমান সংস্থা গো ফাস্টের সমস্ত বুকিং বন্ধ করা হয়েছে। ডিজিসিএ'র দাবি, এয়ারলাইন্স সংস্থা টিকিটের বুকিংয়ের অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে ইতিমধ্যে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, যাত্রীদের কাছে থাকা টিকিটে ভবিষ্যতে ভ্রমণের জন্যে অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলেও দাবি। যদিও এই অবস্থায় ক্ষোভ বাড়ছে যাত্রীদের মধ্যে।

বিমানবন্দরগুলিতে খালি অবস্থায় রয়েছে Go First-এর প্রত্যেকটি কাউন্টারই। ফলে সেখানে গিয়েও কোনও সুবিধা মিলছে না যাত্রীদের। এর আগে অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে চলতি মাসের শুরু অর্থাৎ তিন, চার এবং পাঁচ তারিখের জন্যে বিমান পরিষেবা স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছিল। বলে রাখা প্রয়োজন, একের পর এক বিমান বসে যায় সংস্থার। এই মুহূর্তে ২৫ টিরও বিমান ওড়ার অযোগ্য। যদিও এই অবস্থায় মার্কিন এক সংস্থাকে ইঞ্জিনের পরিবর্তনের কথা বলা হলেও তা হয়নি
ফলে ওয়াদিয়া গোষ্ঠীর হাতে থাকা Go First-এর খরচ ক্রমশ বেড়েছে। এই অবস্থায় নতুন করে আর বিনিয়োগ করতে চায় না শিল্পগোষ্ঠী। ফলে চরম আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দেশের এই বিমান সংস্থা। এমনকি দিউলিয়া হওয়া সময়ের অপেক্ষা বলছেন অর্থনৈতিক কারবারিরা। যদিও সংস্থার সিইও কৌশিক খান্না জানিয়েছিলেন, সিদ্ধান্ত খুবই দুভাগ্যজনক। কিন্তু সংস্থার ভালোর জন্যেই এই সিউদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছে অসামরিক বিমান পরিষেবা মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিদ্ধিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, গো ফাস্টকে কেন্দ্রের তরফে সবরকম ভাবে সাহায্য করা হচ্ছে। এমনকি স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে কথাও হয়েছে। কিন্তু এরপরেও সংস্থার সিদ্ধান্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন জ্যোতিরাদিত্য সিদ্ধিয়া। তবে আদালতে একটি সংস্থার তরফে আবেদন করা হয়েছে। সেই চূড়ান্ত নির্দেশ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications