গৌতম আদানির সম্পত্তি একদিনে বাড়ল ৬৬ হাজার কোটির বেশি! যেসব কারণ উঠে আসছে
গত সেপ্টেম্বর থেকে কয়েকমাস ধনী ভারতীয় বিলিয়নেয়ার তথা বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির মর্যাদা পেয়েছিলেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। যদিও গত জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্ট সামনে আসার পরে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দামে ব্যাপক হ্রাস পায়। মোট সম্পদের পরিমাণ ১০০ বিলিয়নের নিচে নেমে যায়। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে।
আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের মূল্যে ব্যাপক ধস নামার চার-পাঁচমাস পরে, সেগুলিতে ফের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২৩ মে বাজার বন্ধ হওয়ার সময় দেখা গিয়েছে, আদানি এন্টার প্রাইজের শেয়ারের মূল্য ৩ দিনে প্রায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়াও আদানি গোষ্ঠীর আরও নটি কোম্পানির শেয়ারের দাম লাফিয়ে বেড়েছে।

শেয়ার দাম বৃদ্ধির জেরে দেখা গিয়েছে, মাত্র ১ দিনে গৌতম আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ আরও ৮ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। যা ভারতীয় মুদ্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। ফোর্বসের তথ্য অনুসারে মঙ্গলবার গৌতম আদানির মোট সম্পদ পৌঁছে গিয়েছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলারে। যার হিসেবে বিশ্বের ধনীদের তালিকায় তিনি ২৪ নম্বরে উঠে গিয়েছেন।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে ২০২২-এর সেপ্টেম্বরে গৌতম আদানি আমাজনের প্রতিষ্ঠানা জেফ বেজোসকে পিছনে ফেলে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর জানুয়ারিতে তার ঐতিহাসিক পতন হয়।

যেসব কারণে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দামে বৃদ্ধি হয়েছে, তার কারণ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহের সুপ্রিম কোর্টের নেতৃত্বাধীন কমিটি তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পর থেকে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দামে বৃদ্ধি হয়েছে। রিপোর্টে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দামে হেরফের নিয়ে কোনও ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়াও আমেরিকার বিনিয়োগ সংস্থা জিকিউজি পার্টনার্স আদানি- সংস্থায় তাদের অংশীদারিত্ব প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। গত মার্চে এই সংস্থা আদানি গোষ্ঠীতে ১.৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে। যার ফলে শেয়ারের দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

গত জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্টের পরে আদানি গোষ্ঠীতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। আদানি গোষ্ঠী সেই উদ্বেগ কমাতে ঋণ আগে পরিষোধের উদ্যোগ নেয়। এই বিষয়টিও আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দামে বৃদ্ধির কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications