শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করলেও মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা! যাত্রীদের স্বস্তি দিতে বড় পদক্ষেপ ভাবছে কেন্দ্র
হঠাৎ কোনও জরুরি পরিস্থিতি কিংবা পারিবারিক অসুখ, দুর্ঘটনা বা ব্যক্তিগত সংকট। ফ্লাইট ধরতে পারবেন না, অথচ সময়ও মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এ অবস্থায় এখন পুরো টিকিটের মূল্য হারানোই নিয়ম। কিন্তু শীঘ্রই বদলে যেতে পারে এই কঠোর নীতি।
সূত্রের খবর, আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যেই বিমান ভাড়ার মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত ভ্রমণ বিমা চালু করার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র। এর ফলে ফ্লাইট ছাড়ার চার ঘণ্টা আগ পর্যন্ত বাতিল করলে পাওয়া যেতে পারে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত রিফান্ড।

বর্তমানে উড়ানের তিন ঘণ্টা আগে পর্যন্ত বাতিল করা হলে তা নো শো হিসেবে ধরা হয়, ও রিফান্ড মেলে না। চিকিৎসা, জরুরি পরিস্থিতি প্রমাণ করতে পারলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিমান সংস্থা পুরো টাকা ফেরত দেয়, তবে তা সম্পূর্ণ তাদের বিবেচনাধীন।
বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সূত্রে জানা গেছে
এবার যাত্রীদের থেকে বাড়তি টাকা নেবে না এয়ারলাইনগুলি। বিমার প্রিমিয়াম দেবে নিজেরাই, বিমা সংস্থার সঙ্গে বিশেষ সমঝোতার ভিত্তিতে।
একটি শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা ইতিমধ্যেই কয়েকটি বিমা সংস্থার সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
এক সংস্থার আধিকারীকের কথায়, "সবচেয়ে কম ভাড়ার বিভাগেও যদি সামান্য এক বিমা উপাদান যোগ করা যায়, তাহলে যাত্রীরা অন্তত কিছুটা রিফান্ড পাবেন। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে হিসাব নিকাশ চলছে।"
হঠাৎ ভ্রমণ বাতিল হলে পুরো টাকা খোয়া যাওয়ার ভয় বহু যাত্রীর বুকিংয়ে অনীহা তৈরি করে। মন্ত্রকের কাছে নিয়মিত অভিযোগ আসছে
পরিবারে মৃত্যু বা দুর্ঘটনার মতো মুহূর্তে টিকিটের টাকা ফেরত না পাওয়ার যন্ত্রণা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি টিকিটে প্রায় ৫০ টাকা প্রিমিয়ামেই দেওয়া যেতে পারে এই সুবিধা।
একটি এয়ারলাইনের কর্মকর্তার মতে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিগুলি ওটিএ ইতিমধ্যেই যাত্রীদের বিমা নেওয়ার জন্য নিয়মিত অনুরোধ করে। বিমা সংস্থাগুলি পূর্বের বাতিলের তথ্য বিশ্লেষণ করে 'ঝুঁকি,পুরস্কার' হিসাব করে প্রিমিয়াম ঠিক করবে।
ডিজিসিএ এর নতুন নিয়মও আসছে, রিফান্ড নিয়ে যাত্রীদের অসন্তোষ এখন মাথাব্যথার বড় কারণ। তাই অন্তর্ভুক্ত বিমা ছাড়াও ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন তথা ডিজিসিএ ফিরত টাকার নিয়ম সংশোধন করতে চলেছে।
নতুন খসড়া নিয়মে বলা হয়েছে-
রিফান্ডে দেরি, টিকিট বাতিলের পর পর্যাপ্ত অর্থ না ফেরানো, ভবিষ্যৎ যাত্রার জন্য বাধ্যতামূলক সমন্বয়, এই তিন সমস্যা সবচেয়ে বেশি অভিযোগের জন্ম দিচ্ছে।
ডিজিসিএ জানায়, যাত্রীস্বার্থে পরিষ্কার ন্যূনতম মানদণ্ড ঠিক করাই এখন জরুরি, যাতে কিছু এয়ারলাইনের অস্পষ্ট নীতির কারণে যাত্রীদের অসন্তোষ কমে।












Click it and Unblock the Notifications