আদানির শেয়ারে টাকা ঢালছে EPFO! দুটি ক্ষেত্রে গ্রাহকরা Captive Inverstors, প্রভাব পড়তে পারে বার্ষিক সুদের হারে
জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্ট প্রকাশের পর থেকে আদানি গোষ্ঠীর বিভিন্ন শেয়ারের দাম পড়েছে। সেই সময় জানা যায় আদানি গোষ্ঠী তে এলআইসি এবং এসবিআই-এর বিনিয়োগের পরিমাণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বড় বিনিয়োগকারী সংস্থা আদানি গোষ্ঠীতে তাদের বিনিয়োগ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে পারে। আদানি গোষ্ঠীতে বিনিয়োগকারীর তালিকায় রয়েছে ইপিএফও।

ইপিএফও-র বিনিয়োগ চলতে পারে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
আদানি গোষ্ঠীতে এখনও যে বিনিয়োগ চলছে, তার একটা বড় অংশ হচ্ছে আদানি এন্টারপ্রাইজ-সহ দুটি শেয়ারে। এই তালিকায় রয়েছে এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন। দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই সপ্তাহে যদি ট্রাস্টিরা বিনিয়োগের পুনর্বিবেচনা না করে, তাহলে ২০২৩-এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিনিয়োগ চলতে থাকবে।

ইপিএফও-র বিনিয়োগ
ইপিএফও দেশের ২৭. ৭৩ কোটি ফর্মাল সেক্টরের কর্মীদের বার্ধক্য সঞ্চয়ের রক্ষাকর্তা। তারা এই টাকার ১৫ শতাংশ ইটিএফ ফান্ডে বিনিয়োগ করে। এইসব ফান্ড ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ এবং বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে আদানির শেয়ারও।
এলআইসির পরে ইপিএফও দেশের দ্বিতীয় বৃত্তম নন ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন, যারা ইক্যুইটি বিনিয়োগের ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ইটিএফ ফান্ডে বিনিয়োগ করে। গত সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জেক ৫০ তালিকায় যুক্ত হয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইসেস। প্রথম ছয়মাসের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে পরের ছয়মাসের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে ৩০ মার্চ থেকে।

ইপিএফও-র সিদ্ধান্তের পরেই আদানি গোষ্ঠীতে বিনিয়োগ
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড ২০১৫-র সেপ্টেম্বর থেকে নিফটি ৫০-এ রয়েছে। ইপিএফও গ্রাহকদের অবদানের ৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে খাটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাস পর এই ঘটনা ঘটে। এই মুহূর্তে আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেডের সঙ্গে রয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইসেসও। এই বিনিয়োগ পর্যালোচনা করা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে।
২০২২-এর মার্চ পর্যন্ত ইপিএফও ইটিএফ ফান্ডে ১.৫৭ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। অনুমান, ২০২২-২৩-এর বাকি সময়ে আরও ৩৮ হাজার কোটি টাকা সেখানে বিনিয়োগ হয়েছে।

জবাব দেয়নি কর্তৃপক্ষ
দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তারা ২৩ মার্চ সেন্ট্রাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার নীলম শামি রাওকে বেশ কিছু প্রশ্ন পাঠায়। যেখানে আদানি গ্রুপে ইপিএফও-র বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। এছাড়াও সুরক্ষার কারণে তারা নতুন করে বিনিয়োগ এড়াতে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও করা হয়। যদিও কোনও প্রশ্নের উত্তর দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

এই সপ্তাহেই ট্রাস্টিতে আলোচনা
এই সপ্তাহে শ্রমমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে ইপিএফও-র ট্রাস্টিতে বিনিয়োগ, আয় এবং সামনের বছরের সুদের হার নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। গত বছরেই ইপিএফও ৪৫ বছরের সর্বনিম্ন সুদের হার ৮.১ শতাংশ ধার্য করেছিল। ২৪ জানুয়ারি থেকে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দাম পড়ে যাওয়ার প্রভাব সেখান থেকে পাওয়া রিটার্নের ওপরে ফেলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যা ইপিএফ-এর বার্ষিক সুদের হারের ওপরে ফেলতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications