Income Tax Savings: ১০ লক্ষ টাকা আয়েও দিতে হবে না কর, একনজরে হিসেবের পদ্ধতি
Income Tax Savings: ১০ লক্ষ টাকা আয়েও দিতে হবে না কর, একনজরে হিসেবের পদ্ধতি
যদি কারও বার্ষিক বেতন (salary) ১০ লক্ষ টাকার বেশি হয় তাহলে আয়ের একটা বড় অংশ কর (Income Tax) হিসেবে চলে যায় সরকারের ঘরে। কেউ যদি মনে করে এর থেকে বাঁচার উপায় নেই, তাহলে তিনি ভুল করবেন। যগি কারও বার্ষিক বেতন ১০.৫০ লক্ষ টাকাও হয়, তাহলেও তাঁকে কোনও কর দিতে হবে না। একনজরে দেখে নেওয়া যাক হিসেব।

১০ লক্ষ টাকা বেতনেও দিতে হবে না কর
১০ লক্ষ টাকা বেতনেও কোনও কর দিতে হবে না। এক্ষেত্রে সঞ্চয় এবং ব্যয়কে এমনভাবে রাখতে হবে, যাতে কোনও ব্যক্তি ট্যাক্সছাড়ের সুবিধাটা পুরোপুরি নিতে পারেন। এই পদ্ধতিটি কয়েকটা ধাপে ব্যাখ্যা করা যায়। যেখানে ১০ লক্ষ টাকার ওপরে আয়ের ক্ষেত্রে কর শূন্য করা যায়।

প্রথম ধাপ
যদি কারও বার্ষিক বেতন ১০,৫০,০০০০ টাকা হয় এবং তাঁর বয়স ৬০ বছরের কম হয়, তাহলে তিনি করের ক্ষেত্রে ৩০%-এর স্ল্যাবে পড়েন। এক্ষেত্রে প্রথমেই স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন হিসেবে ৫০ হাজার টাকা ছাড় পাবেন। অর্থাৎ এবার করের হিসেব হবে (১০,৫০,০০০- ৫০, ০০০)= ১০ লক্ষ টাকার ওপরে।

দ্বিতীয় ধাপ
আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় এরপরে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বাঁচানো যাবে। এক্ষেত্রে ইপিএফ, পিপিএফ, ইএলএসএস এবং এনএসসিতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এর সঙ্গে দুই সন্তানের টিউশন ফি-ও যুক্ত করা যেতে পারে। অর্থাৎ এবার করের হিসেব হবে (১০,০০,০০০-১,৫০,০০০)= ৮,৫০,০০০ টাকার ওপরে।

তৃতীয় ধাপ
এরপর আয়কর আইনের ৮০সিসিডি (1B)-এর অধীনে জাতীয় পেনশন সিস্টেম অর্থাৎ এনপিএস-এ অধীনে ৫০ হাজার টাকা ছাড় পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এবার করের হিসেব হবে (৮,৫০,০০০-৫০,০০০)=৮,০০,০০০ টাকার ওপরে।

চতুর্থ ধাপ
যদি হোম লোন থেকে থাকে তাহলে আয়কর আইনের ২৪বি ধারায় ২ লক্ষ টাকার সুদে কর ছাড় পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এবার করের হিসেব হবে (৮,০০,০০০-২,০০,০০০)= ৬,০০,০০০ টাকার ওপরে।

পঞ্চম ধাপ
আয়কর আইনের ৮০ ডি ধারায় স্বামী/স্ত্রী, সন্তান এবং নিজের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবায় করা পরীক্ষার খরচ এবং স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়াম হিসেবে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যেতে পারে। যদি কেউ এর সঙ্গে অভিভাবক অর্থাৎ মা-বাবার জন্য স্বাস্থ্য বিমা কিনে থাকেন, তাহলে এই ছাড় অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। শর্ত হল মা-বাবার বয়স ৬০ বছরের বেশি হতে হবে। এক্ষেত্রে কর ছাড় সর্বোচ্চ ৭৫, ০০০ টাকা। অর্থাৎ এবার করের হিসেব হবে (৬,০০,০০০-৭৫,০০০)= ৫,২৫,০০০ টাকা।

ষষ্ঠ ধাপ
আয়কর আইনের ৮০ জি ধারায় যদি কেউ কোনও দান করেন, তা কর ছাড়ে আওতায় আসবে। এক্ষেত্রে যদি কেউ ২৫,০০০ টাকা দান করেন, তাহলে তার প্রমাণ (যে সংস্থায় দান করা হয়েছে, সেই সংস্থা থেকে স্ট্যাম্প যুক্ত রশিদ সংগ্রহ করতে হবে) আয়কর বিভাগের সামনে রাখতে হবে এবং কর ছাড় পাওয়া যাবে। অর্থাৎ এবার করের হিসেব হবে (৫,২৫,০০০-২৫,০০০)= ৫,০০,০০০ টাকার ওপরে।

সপ্তম ধাপ
এবার শুধুমাত্র ৫ লক্ষ টাকা আয়ের ওপরে করের হিসেব হবে। করের দায় হবে ১২,৫০০ টাকা(২.৫ লক্ষের ওপরে ৫% হিসেবে)। এক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে ১২,৫০০ টাকা, তাই ৫ লক্ষের জন্য কোনও কর দিতে হবে না।












Click it and Unblock the Notifications