Jan Dhan Account: বছরে ১.৩০ লক্ষ টাকার সুবিধা, রয়েছে বিভিন্ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগও
Jan Dhan Account: বছরে ১.৩০ লক্ষ টাকার সুবিধা, রয়েছে বিভিন্ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ
প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার (pradhan mantri jan dhan yojana) আওতায় দেশের দরিদ্রদের জন্য শূন্য ব্যালেন্সে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং ডাকঘরে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। এটি মোদী সরকারের একটি বড় কর্মসূচি। এই স্কিমে কোনও দরিদ্র ব্যক্তি সহজেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এই স্কিমে অনেক ধরনের আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায়।

১.৩০ লক্ষ টাকার সুবিধা পাওয়া যায়
প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার আওতায় খোলা অ্যাকাউন্টে অ্যাকাউন্টধারী ১.৩০ লক্ষ টাকার সুবিধা পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে রয়েছে দুর্ঘটনা বিমা এবং সাধারণ বিমা। এতে ১ লক্ষ টাকার দুর্ধটনা বিমা এবং ৩০ হাজার টাকার সাধারণ বিমার সুবিধা পাওয়া যায়। যদি কোনও অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের ক্ষেত্রে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে ৩০ হাজার টাকা পেতে পারেন, পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার দুর্ঘটনায় মারা গেলে পরিবার একলক্ষ টাকা পেয়ে থাকে।

জন ধন অ্যাকাউন্ট কী
প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা মোদী সরকারের অন্যতম বড় আর্থিক কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অধীনে দেশের দারিদ্রসীমার আওতায় থাকা মানুষদের জন্য কোন রকম টাকা ছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং ডাকঘরে আ্যাকাউন্ট খোলা হয়। এই অ্যাকাউন্ট যে কোনও ব্যাঙ্কের শাখা কিংবা ব্যাঙ্ক মিত্র আউটলেটে খোলা যায়।

কীভাবে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে
কেউ যদি জন ধন অ্যাকাউন্ট খুলতে চান, তাহলে তাঁকে তাঁর বাড়ির কাছের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেখানে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে, মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্কের শাখার নাম, আবেদনকারীর ঠিকানা, মনোনীত ব্যক্তির নাম, পেশা, বার্ষিক আয়, নির্ভরশীলদের সংখ্যা, পুরসভার ওয়ার্ড নম্বর কিংবা গ্রামের কোড কিংবা টাউন কোড দিতে হবে।
এদেশে বসবাসকারী যে কোনও নাগরিক যার বয়স ১০ বছর কিংবা তার বেশি তিনি জন ধন অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্যতামূলক নথি
জন ধন অ্যাকাউন্ট থুলতে গেলে যেসব নথি বাধ্যতামূলক তার মধ্যে রয়েছে, আধার কার্ড, পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স বা প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড, নরেগা জব কার্ড। এছাড়াও গেজেটেড অফিসারের চিঠি যেখানে, নাম, ঠিকানা, আধার নম্বর লেখা থাকবে। ছবিও অ্যাটেসটেড থাকতে হবে।

জন ধন অ্যাকাউন্টের সুবিধা
১) এই অ্যাকাউন্ট খোলার ছয়মাস পর থেকে ওভারড্রাফট পাওয়া যায়।
২) দুর্ঘটনা বিমার কভার ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
৩) ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত সাধারণ বিমার সুবিধা।
৪) আমানতের ওপরে সুদ।
৫) অ্যাকাউন্টের সঙ্গে বিনামূল্যে মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ের সুবিধা।
৬) রুপে ডেবিট কার্ডের সুবিধা, যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা যাবে।
৭) এর মাধ্যমে বিমা কিংবা পেনশন পাওয়া সহজ।
৮) এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পিএম কিষাণ এবং পিএম শ্রম যোগী মানধন যোজনার অ্যাকাউন্ট খোলায় সুবিধা হয়।
৯) সারা দেশে টাকা পাঠানোর সুবিধা আছে।
১০) সরকারি স্কিমের সুবিধার টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে আসে।












Click it and Unblock the Notifications