আমজনতাকে স্বস্তি দিয়ে কিছুটা কমল ভোগ্যপণ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার
আমজনতাকে স্বস্তি দিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেই আটকে থাকল ভোগ্যপণ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার।
আমজনতাকে স্বস্তি দিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেই আটকে থাকল ভোগ্যপণ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার। জুনে তা অনেকটা বেড়ে যাওয়ার পরে জুলাইয়ে ৪.১৭ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে বলে খবর। যদিও জুলাইয়ে মুদ্রাস্ফীতির হার ৪.৫১ শতাংশ থাকবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল।

যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল সেই ৪ শতাংশের উপরেই রয়েছে হার। জুন মাসে তা বেড়ে ৪.৯২ শতাংশ পৌঁছে গিয়েছিল।
খাদ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার ১.৩৭ শতাংশ, যা জুন মাসে ছিল ২.৯১ শতাংশ। আশার কথা হল, সাধারণভাবে গরমের সময়ে খাদ্যপণ্যের দাম বেশির দিকে থাকে। এবার তা নিম্নমুখী। তবে সামগ্রিকভাবে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি থাকায় উদ্বেগ রয়েছে।
আরবিআই নিজেদের বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৮-১৯ মরশুমে মুদ্রাস্ফীতির হার দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ৪.৬ শতাংশ ও দ্বিতীয় অর্ধে ৪.৮ শতাংশ থাকবে বলে জানিয়েছে। ২০১৯-২০-র প্রথম ত্রৈমাসিকে তা ৫ শতাংশ থাকবে বলেও আরবিআইয়ে বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।
যদিও জ্বালানি ও আলোর খরচে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। জুনে ছিল ৭.১৪ শতাংশ তা বেড়ে হয়েছে ৭.৯৬ শতাংশ। সেভাবেই জামাকাপড় ও জুতোয় মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.৬৭ শতাং থেকে কমে ৫.২৮ শতাংশ হয়েছে। ঘরবাড়ির দামে মুদ্রাস্ফীতির হার জুনে ৮.৪৫ শতাংশ ছিল তা জুলাইয়ে কমে ৮.৩ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications