শীঘ্রই আসছে এলপিজি পোর্টেবিলিটি,বদলাতে পারবেন গ্যাস কোম্পানি!
এলপিজি সরবরাহ নিয়ে অসন্তুষ্ট গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত সুখবর। এবার থেকে রান্নার গ্যাসের সংযোগে আসতে চলেছে পোর্টেবিলিটি পরিষেবা।যায ফলে অনেকের সুবিধে হবে।যেরুপ মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটির মাধ্যমে কোম্পানি বদল করা যায়, তেমনই এবার গ্রাহক চাইলে একটি কোম্পানির পরিবর্তে অন্য কোম্পানির এলপিজি সংযোগ নিতে পারবেন, তাও আবার নতুন সংযোগ না করেই।

তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রক সংস্থা PNGRB এই সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব নিয়ে এগোচ্ছে। সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ভোক্তা, পরিবেশক ও অন্যান্য অংশীদারদের মতামত চেয়েছে।নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির বক্তব্য, অনেক সময় স্থানীয় পরিসেবকদের সমস্যার কারণে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়। ফলে গ্রাহকরা অন্য কোনও বিকল্প পান না আর তাই চরম অসুবিধার মধ্যে পড়েন গ্রাহকরা। এ অবস্থায় গ্রাহকের স্বাধীনভাবে কোম্পানি বা ডিলার বদল করার সুযোগ থাকা জরুরি, বিশেষত যখন সিলিন্ডারের দাম সব কোম্পানির ক্ষেত্রেই একই।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে তৎকালীন ইউপিএ সরকার পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি রাজ্যের ২৪ জেলায় এলপিজি পোর্টেবিলিটি চালু করেছিল। পরে ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে তা দেশের ৪৮০টি জেলায় সম্প্রসারিত হয়। তবে তখন কেবলমাত্র একই কোম্পানির ভিন্ন ডিলার বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল; এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে যাওয়া আইনত সম্ভব ছিল না। ফলে ইন্ডিয়ান অয়েলের ইন্ডেন গ্যাস ব্যবহারকারী কেবলমাত্র অন্য ইন্ডেন ডিলারকে বেছে নিতে পারতেন, কিন্তু ভারত গ্যাস বা এইচপি গ্যাসে যেতে পারতেন না।
ঋখন সেই সীমাবদ্ধতা দূর করার পথে এগোচ্ছে PNGRB। সংস্থার মতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩২ কোটিরও বেশি এলপিজি সংযোগ রয়েছে। তবুও প্রতিবছর ১৭ লক্ষেরও বেশি অভিযোগ জমা পড়ছে সরবরাহে বিঘ্ন ও দীর্ঘ বিলম্ব নিয়ে। অনেক ক্ষেত্রে সপ্তাহের পর সপ্তাহ গ্রাহকরা অপেক্ষার পরেও রিফিল সিলিন্ডার পান না,ফলস্বরুপ গৃহস্থ থেকে ব্যবসায়ী সকলের জন্যই ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।PNGRB জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এমনকি গ্রাহকের আস্থা অটুট রাখতে ইন্টার কম্পানি পোর্টেবিলিটি চালুর প্রস্তাব আনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিকটবর্তী যে কোনও ডিস্ট্রিবিউটর থেকেই গ্রাহক রিফিল করিয়ে নিতে পারবেন। এর ফলে জরুরি পরিস্থিতি বা কোনও কোম্পানির কার্যক্রম ব্যাহত হলে অন্য সংস্থা সহজেই পরিষেবা দিতে পারবে।
পূর্বের ২০১৪ সালের প্রকল্পে তেল বিপণন সংস্থাগুলি দেশজুড়ে ১,৪০০-রও বেশি ক্লাস্টার তৈরি করেছিল। প্রতি ক্লাস্টারে গড়ে চারটি পরিবেশককে বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। এবার সেই অভিজ্ঞতাকেই আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে PNGRB।সংস্থাটি বলেছে, আগামী দিনে নিয়ম ও নির্দেশিকা তৈরি করা হবে। আপাতত উপভোক্তা ও অংশীদারদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হচ্ছে, যার শেষ তারিখ অক্টোবরের মাঝামাঝি। তারপরেই দেশজুড়ে চালু হতে পারে দির্ঘ প্রতীক্ষিত এলপিজি পোর্টেবিলিটি পরিষেবা।












Click it and Unblock the Notifications