নিষ্ক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কীভাবে বন্ধ করবেন, অনুসরণ করুন সহজ প্রক্রিয়া
দীর্ঘদিন টাকার লেনদেন বন্ধ। যে কারণে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করতে চান অনেক গ্রাহক। তবে এব্যাপারে বেশ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। প্রথমে সেই অ্যাকাউন্টে জমা সব টাকা তুলে নিয়ে অ্যাকাউন্টটিকে জিরো ব্যালেন্স করে নিতে হবে।
দেশের বেশিরভাগ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বহু সংখ্যক মানুষ প্রধানমন্ত্রী জনধন অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ পেয়েছেন। ফলে দেশে এমন মানুষ কম, যাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই। বহু মানুষ রয়েছেন, চাকরির জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। আবার সেই চাকরি ছেড়ে দিলে সেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে ভুলে যান অনেকে।

এই ধরনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন বেতনের টাকা জমা না পরার ফলে সেটি স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে সেভিংস অ্যাকাউন্ট হয়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে যদি অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালেন্স না থাকে, তাহলে জরিমানা করা হয় ব্যাঙ্কের তরফে। এর জেরে ক্রেডিট স্কোর প্রভাবিত হয়।
এই পরিস্থিতিতে যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব এই ধরনের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। দেখে নেওয়া যাক কীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হবে।
- প্রথমেই অ্যাকাউন্টে জমা সব টাকা তুলে নিতে হবে। অ্যাকাউন্টটিকে জিরো ব্যালান্স করে নিতে হবে।
- এর জন্য এটিএম কিংবা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
- এই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যদি কোনও লোন অ্যাকাউন্ট যুক্ত থেকে থাকে, তাহলে এদিকে ডিলিঙ্ক করতে হবে।
- এক্ষেত্রে নতুন অ্যাকাউন্ট নম্বরটিকে লোন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

অ্যাকাউন্ট খোলার ১৪ দিন পর থেকে ১ বছর সময় পর্যন্ত এইসব অ্যাকাউন্টের জন্য কিছু ফি দিতে হয়। এক বছরের বেশি সময়ের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোনও রকমের ফি দিতে হয় না। অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে প্রথমে ব্যাঙ্কের শাখায় যেতে হবে।
অ্যাকাউন্ট ক্লোজিং ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্টের জন্য ইস্যু করা চেক বই, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ডের মতো জিনিস জমা দিতে হবে। তারপরেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এব্যাপারে সরকারি কিংবা বেসরকারি ব্যাঙ্ক, সবার নিয়ম কমবেশি একই।












Click it and Unblock the Notifications