টুইটারের ব্লু টিকের জন্য করতে হবে খরচ! প্রতি মাসে ব্যয় করতে হতে পারে ১,৬০০ টাকা
টুইটারের ব্লু টিকের জন্য প্রতিমাসে খরচ করতে হতে পারে ১৬০০ টাকা
২৭ অক্টোবর বিশ্বের সব থেকে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক টুইটার কেনার চূড়ান্ত চুক্তি করেছেন। এরপরেই বরখাস্ত হয়েছেন টুইটার সিইও সহ শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিক। ইলন মাস্কের টুইটার গ্রহণের পাশাপাশি এই মাইক্রো ব্লগিং সংস্থায় একাধিক নিয়মের বদলের ইঙ্গিত মিলেছে। টুইটারে আগে নীল রঙের টিক পাওয়া যেত। মূলত সেলিব্রেটি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই টিকটি পেতেন। অনেকেই ব্লু টিক অর্জন একটি সাফল্য হিসেবে দেখতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই ব্লু টিকের জন্য খরচা করতে হবে বলে টুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক ইঙ্গিত দিয়েছেন।

টুইটারে ব্লু টিকের জন্য খরচ
টুইটারের মালিক ইলন মাস্ক এই বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, এখনও টুইটার ব্যবহারকারীদের যাচাইপর্ব অব্যাহত রয়েছে। অর্থাৎ টুইটার অ্যাকাউন্টটি ভুয়ো কি না, যে পরিচয় টুইটার অ্যাকাউন্টে দেওয়া রয়েছে, সেটা ঠিক কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে টুইটার সূত্রে খবর, পরবর্তী কালে টুইটারে ব্লুটিকের জন্য খরচ করতে হতে পারে। আনুমানিক খরচ ১৯.৯৯ মার্কিন ডলার বা ১,৬০০টাকা একটু বেশি।

টুইটারের নয়া নিয়ম
যাচাই করা অর্থাৎ ব্লুটিক ব্যবহারকারীদের নয়া নিয়মের অধীনে সাবস্ক্রাইব করতে ও ব্লুটিক ধরে রাখার জন্য ৯০ দিন সময় দেওয়া হবে। এই ৯০ দিনের মধ্যে যদি টুইটারের কাছে অর্থ না পৌঁছয়, সেক্ষেত্রে টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লুটিক সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।টুইটার ২০২১ সালের জুন মাসে সাবক্রিবশন পরিষেবা নিয়ে এসেছিল।

হোমপেজ পরিবর্তন
টুইটারের নয়া মালিক বা বিশ্বের সব থেকে ধনী ব্যক্তি টুইটারের হোম পেজ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে টুইটার থেকে লগআউট হয়ে যাওয়ার পরে সেখানে ট্রেন্ডিং খবর গুলো দেখা যেতো। এছাড়াও হোম পেজে সাইন ইন বা নতুন অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ আসত। নতুন হোম পেজ কেমন হবে তা টুইটারে কেমন হবে তা জানা যায়নি। টুইটারের পরবর্তী সিইও কে হবেন, এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে ইলন মাস্ক কোনও মন্তব্য করেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, টুইটারের প্রধান হিসেবে তিনি বর্তমানে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

টুইটার কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ইলন মাস্কের টুইটার কেনার সিদ্ধান্ত দীর্ঘ টানা পোড়েনের পর ইলন মাস্ক ২৭অক্টোবর টুইটার কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন। গত কয়েক মাস ধরেই টুইটার কেনা নিয়ে একটা টানাপোড়েন চলছিল। ইলন মাস্ক চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় টুইটার কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিলেন। পাশাপাশি তিনি টুইটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কর্তৃপক্ষ সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য দিচ্ছে না। ইলন মাস্ক টুইটার কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিলেন। এরপর মামলা আদালত অবধি গড়ায়।












Click it and Unblock the Notifications