আপনি এডুকেশন লোন নিয়েছেন, জানেন কি আয়কর আইনের ৮০ই ধারায় কর ছাড়ের কথা? না হলে বড় ক্ষতি হতে পারে
উচ্চশিক্ষায় প্রচুর খরচ। বেসরকারি কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয়ের পি আকাশছোঁয়া। সেই খরচ সামলাতে অনেকেই এডুকেশন লোন নিয়ে থাকেন। এডুকেশন লোন এমন ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করে যাঁরা টিউশন ফি দিতে পারেন না। এডুকেশন লোন ইতিমধ্যেই অনেককে জীবনে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।
এডুকেশন লোন নিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে অনেকেই ঋণ মুক্ত হন। এখানে বলে রাখা দরকার, আয়কর আইনের ৮০ ই ধারায় সুদের ওপরে কর ছাড় পাওয়া যায়। এই কর ছাড়ের কোনও সীমা নির্ধারণ নেই। সেক্ষেত্রে কর ছাড় হিসেবে জমা দেওয়া সুদের পুরোটাই দাবি করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে আয়করের সুবিধা দাবি করতে পারেন সে ব্যক্তি এডুকেশন লোনের আবেদন করেছেন তিনি নিজে, তাঁর স্ত্রী কিংবা সন্তান।

একজন ব্যক্তি যিনি এক ছাত্র কিংবা ছাত্রীর আইনগত অভিভাবক। এক্ষেত্রে ঋণ নিতে হবে স্বীকৃত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অনুমোদিত দাতব্য প্রতিষ্ঠান থেকে। যে ব্যক্তি ভারতে বা বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ছাড়পত্র পেয়এছেন, তিনিও কর ছাড় দাবি করতে পারেন। অবিভক্ত হিন্দু পরিবার কিংবা অন্য করদাতারা এক্ষেত্রে কর ছাড় দাবি করতে পারেন না।
আয়কর ছাড়ের শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এডুকেশন লোন পরিষোধ শুরু হওয়ার বছর থেকে সর্বোচ্চ আটবছর বয়স পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যেতে পারে। আয়কর আইনের অন্য কোনও ধারার অধীনে একই পরিমাণ সুদের জন্য অন্য কোনও ছাড় দাবি করা যাবে না। শুধুমাত্র সুদের পরিমাণে কর ছাড় পাওয়া যায়, ঋণের পরিমাণে নয়।
এক্ষেত্রে কর ছাড়ের কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই। সুদ হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন, তাই দাবি করা যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, অন্য ক্যাটেগরিতে কর ছাড়ের সুবিধা নেওয়ার পরে যদি আয় ৬.৭ লক্ষ টাকা হয়, যার মধ্যে এডুকেশন লোনে সুদ হিসেবে ২ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেন, তাহলে সেখানে আয় ৪.৭ লক্ষ টাকা হিসেবে গণনা করা হবে।
৮০ই ধারায় কর ছাড় দাবি করতে গেলে, যে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছেন, সেখান থেকে আর্থিক বছরে দেওয়া মোট কিস্তির পরিমাণ উল্লেখ করে একটি শংসাপত্র প্রয়োজন। সেখানে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে, কতটা সুদ ও কতটা আসল হিসেবে ওই ব্যক্তি জমা দিয়েছেন।
উচ্চ শিক্ষা শেষ করতে ঋণের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্যই হল এডুকেশন লোন। দেশ কিংবা দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে এই লোন পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications