NPS-এ মাসে কয়েক হাজার বিনিয়োগে পেনশন ২ লক্ষ টাকা! হিসেব ও ট্যাক্সের সুবিধা একনজরে
মুদ্রাস্ফীতির জেরে প্রতিনিয়ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। সেক্ষেত্রে অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রে বাধা বিপত্তি আসতে পারে। কেউ যদি সময় থাকতে মাসে মাসে অবসরকালীন সুবিধার জন্য বিনিয়োগ করেন, তাহলে বয়সকালে ভয় পাওয়ার কারণ থাকতে পা
মুদ্রাস্ফীতির জেরে প্রতিনিয়ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। সেক্ষেত্রে অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রে বাধা বিপত্তি আসতে পারে। কেউ যদি সময় থাকতে মাসে মাসে অবসরকালীন সুবিধার জন্য বিনিয়োগ করেন, তাহলে বয়সকালে ভয় পাওয়ার কারণ থাকতে পারে না। এর একটা উপায় দতে পারে জাতীয় পেনশন প্রকল্প বা এনপিএস।

এনপিএস-এ সঞ্চয়
অবসরকারে পেনশনের জন্য অন্যতম নিরাপদ এবং পড় বিকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম হল সরকারি নজরদারিতে থাকা জাতীয় পেনশন প্রকল্প বা এনপিএস। সরকার এই পেনশন প্রকল্পের কাঠামো এমনভাবে তৈরি করেছে, যেখানে কোনও বিনিয়োগকারীর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্থিতিশীলতা দেয়। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত বাজার ভিত্তিক রিটার্নের মাধ্যমে দীর্ঘ মেয়াদি অবসর পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।

বছরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর বাঁচানো যায়
এনপিএস ইক্যুইটি এবং ঋণ উভয় উপকরণ নিয়ে গঠন করা হয়েছে। এনপিএস-এ বিনিয়োগের মাধ্যমে সেই বিনিয়োগকারী বছরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর বাঁচাতে পারেন। এর ৮০ সি ধারা-সহ তিনটি নির্দিষ্ট ধারায় কর ছাড় পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে কর ছাড় দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াো ৮০ সিসিডি১বি ধারায় আলাদা করে ৫০ হাজার টাকা কর ছাড় পাওয়া যায়।

কীভাবে মাসে ২ লক্ষ টাকা পেনশন
কোনও ব্যক্তি যদি ৪০ বছরের জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে জমা করেন, তাহলে তিনি মেয়াদ শেষে ১.৯১ কোটি টাকা পেতে পারেন। এই টাকা যদি সেই বিনিয়োগকারী পেনশনের জন্য বিনিয়োগ করেন, তাগলে তিনি মাসে ২ লক্ষ টাকা করে পেনশন পেতে পারেন। এক্ষেত্রে রিটার্ন থেকে ১.৪৩ লক্ষ টাকা এবং সিস্টেমেটিক উইথড্রল প্যান থেকে মাসে ৬৩, ৭৬৮ টাকা পেনশন পেতে পারেন। বিনিয়োগকারী জীবিত কাল পর্যন্ত মাসে এই টাকা পেনশন হিসেবে পেয়ে যাবেন।
অন্যদিকে কেউ যদি প্রতি মাসে ৫ হাজার করে ২০ বছরের জন্য বিনিয়োগ করেন, তাহলে তিনি ম্যাচুরিটিতে ১.২৭ কোটি টাকা পাবেন। সেই টাকার ওপর ৬ শতাংশ সুদ হিসেবে তিনি প্রতিমাসে ৬৩,৭৬৮ টাকা পেনশন হিসেবে পেতে পারেন।

এনপিএস-এ বিনিয়োগের সীমা
উল্লেখ করা প্রয়োজন দুই প্রকারের এনপিএস রয়েছে। একটি হল টিয়ার ১। সেখানে কর ছাড়ের সুবিধা রয়েছে। অপরটি হল টিয়ার ২। সেখানে কর ছাড়ের সুবিধা নেই। টিয়ার ১-এ বিনিয়োগের ন্যূনতম পরিমাণ ৫০০ টাকা, অন্যদিকে টিয়ার ২-তে বিনিয়োগের ন্যূনতম পরিমাণ ১ হাজার টাকা। তবে এখানে বিনিয়োগের কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই।












Click it and Unblock the Notifications