ওপেক উৎপাদন কমাতেই জ্বালানির দামে ৮% বৃদ্ধি! বিশ্বব্যাপী ফের মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা
সৌদি আরব-সহ ওপেকের অন্য তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি উৎপাদন কমানোর কথা ঘোষণা করতেই, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী ফের মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশ্বব্যাপী বেড়েছে জ্বালানির দাম
প্রতিদিন তেলের উৎপাদন ১.১৬ মিলিয়ন ব্যারেল কমানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্রেন্টের তেলের দাম ব্যারেল পিছু ৫.১৬ ডলার বৃদ্ধি পেয়ে ৮৫.০৫ ডলার হয়েছে। অন্যদিকে ইউএস ক্রুডের মূল্য ব্যারেল পিছু ৪.৮৮ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে ৮০.৫৫ ডলার হয়েছে।

ওপেক ভুক্ত দেশগুলির সিদ্ধান্ত
সৌদি আরব এবং রাশিয়া -সহ ওপেকের দেশগুলির মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের আগেই জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করে। ওপেকের বৈঠকে ২০২৩-এর শেষ পর্যন্ত উৎপাদন প্রতিদিন ২ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল।

উৎপাদান কমাচ্ছে রাশিয়াও
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক বলেছেন ২০২৩ সালের শেষ তারা প্রতিদিন পাঁচ লক্ষ ব্যারেল উৎপাদন কম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওপেকের অন্য সদস্য দেশগুলি যেমন, কুয়েত, ওমান, ইরাক, আলজেরিয়া, কাজাখস্তানও নিজেদের মতো করে তেলের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

তেলের দাম পৌঁছতে পারে ১০০ ডলারে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ২০২৩-এর শেষের দিকে ব্রেন্টের জ্বালানির মূল্য ব্যারেল পিছু ৯৫ ডলার এবং ২০২৪-এর ক্ষেত্রে তা ১০০ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। প্রভাব পড়েছে সোনার দামেও। এদিন সোনার দাম কমেছে প্রায় ০.৫ শতাংশের মতো।

২০০৮ সালের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ব্যবস্থা
প্রসঙ্গত এবছরের মার্চে তেলের দাম ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পরে সর্বনিম্নে নেমে এসেছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি ২০০৮ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে চাইছে। ওই বছরে তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১৪০ ডলার থেকে ৩৫ ডলারে নেমে গিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications