গতবছরের তুলনায় অনেকটা ঘাটতি অক্টোবরের জিএসটি আদায়ে
ফের জিএসটি আদায় নেমে গেল। অক্টোবরে জিএসটি বাবদ সরকারের ঘরে এসেছে ৯৫,৩৮০ কোটি টাকা। যদিও পরিমাণটা সেপ্টেম্বরের তুলনায় বেশি। তাও সরকারের ধার্য করা আদায়ের সীমা থেকে অনেকটাই কম।
ফের জিএসটি আদায় অনেকটা নেমে গেল। অক্টোবরে জিএসটি বাবদ সরকারের ঘরে এসেছে ৯৫,৩৮০ কোটি টাকা। যদিও পরিমাণটা সেপ্টেম্বরের তুলনায় বেশি। তাও সরকারের ধার্য করা আদায়ের সীমা থেকে অনেকটাই কম। সরকার এই মাসে ১ লক্ষ কোটি টাকা জাএসটি বাবদ আয়ে আশা করেছিল। তবে আদায়ের পরিমাণ সেই অর্থকে ছুঁতে ব্যর্থ হয়েছে। গত বছরের অক্টোবর মাসের তুলনাতেও জিএসটি বাবদ আদায়ের পরিমাণে দেখা গেছে ৫.২৯ শতাংশ ঘাটতি।

কোন খাতে কত আয়?
চলতি বছরে অক্টোবরে মোট ৯৫,৩৮০ কোটি টাকা জিএসটি সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে সেন্ট্রাল জিএসটি ১৭,৫৮২ কোটি টাকা, স্টেট জিএসটি ২৩,৬৭৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৪৬,৫১৭ কোটি টাকা।

জিএসটি আদায়ে ঘাটতির কারণ কী?
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মাসের মধ্যে সেপ্টেম্বরে জিএসটি আদায় ছিল সর্বনিম্ন। আদায় হয়েছিল ৯২ হাজার কোটি টাকা। এরপরই জিএসটি আদায় বাড়ানোর বিষয়ে কমিটি গঠন করে সরকার। সেই কমিটি জিএসটির জন্য চালু থাকা আইন এবং পদ্ধতি খতিয়ে দেখবে। কোনও পরিবর্তন দরকার হলে তার সুপারিশ করবে বলেও জানানো হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছরের তুলনায় কম রাজস্ব আদায়ের অন্যতম মূল কারণ অর্থনৈতিক মন্দাও। পাশাপাশিশেয়ার বাজারকে চাঙ্গা করতে জিএসটিতেও রদবদল করতে হয়েছে মোদী সরকারকে। একাধিক দ্রব্যের উপর জিএসটি কমাতে বাধ্য হয়েছে মোদী সরকার। সেকারণেই এই ঘাটতি বলে মনে করা হচ্ছে।

জিএসটি-র দুবছর পেরিয়েও সরকারের কোষাগারে টান
এর আগে জিএসটি চালু হওয়ার ২ বছর পূর্তি উপলক্ষে জুন মাসের শেষে পদ্ধতি সরল করার উদ্দেশে একগুচ্ছ সংস্কার করেছিল সরকার। যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল কর জমা দেওয়ার পদ্ধতির সরলীকরণ। ২০১৭-র ১ জুলাই চালু হয়েছিল জিএসটি। সেই সময় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি আনেক রাজনৈতিক দল জিএসটি বাতিলের দাবিতে পথে নেমেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications