ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় ভাইফোঁটায় মানুন এই বিশেষ টিপসগুলি
হিন্দুধর্মে ভাইফোঁটার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিবছর কার্তিক মাসের শুক্লাপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে পালিত হয় ভাইফোঁটা। চলতি বছর দীপাবলির দু’দিন পরেই পালিত হবে ভাইফোঁটা অর্থাৎ চলতি বছর নভেম্বর মাসের ৩ তারিখ পালিত হবে ভাইফোঁটা।
ভাইফোঁটা হল ভাইবোনের মধ্যে ভালোবাসা ও পবিত্র বন্ধনের প্রতীক। এদিনে ভাইদের কপালে মঙ্গলের তিলক পরিয়ে তাদের সুস্বাদু রান্না করে খাইয়ে, উপহার দিয়ে বোন বা দিদিরা কিন্তু ভাইফোঁটা পালন করবেন।

- কী কী নামে পরিচিত
এই ভাইফোঁটা ভাই দ্বিতীয়া, ভাতৃ দ্বিতীয়া, ভাই দুজ নামে পরিচিত। এই ভাইফোঁটা এই জিনিসগুলি দিয়েই কিন্তু ভাইয়ের কপালে তিলক পরাবেন। এতে আপনার ভাইয়ের শরীর সুস্থ থাকবে। তিনি ভালো থাকতে পারবেন। এতে আপনাদের সম্পর্কও ভালো থাকবে।
- কী কী মঙ্গলের তিলক পড়াবেন
ভাইফোঁটায় ভাইকে যখন মঙ্গলের তিলক পরাবেন অবশ্যই জাফরান, হলুদ, চন্দন দিয়ে পরাবেন। এটি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। ভাইফোঁটার সময় ভাইয়ের ভাইকে সুস্থ রাখতে অবশ্যই মানুন এই টিপসগুলি।
- কোন দিকে মুখ করে বসবেন ভাইরা
এই ভাইফোঁটা দিন ভাইয়ের কপালে তিলক পরাবার সময় অবশ্যই ভাইয়ের মুখ যেন উত্তর বা উত্তর পশ্চিম দিকে থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। বোন বা দিদিরা উত্তর বা পূর্ব দিকে মুখ করে বসবেন।
- কোথায় বসিয়ে ভাইকে ফোঁটা দেবেন
দাদাকে তিলক পরানোর সময় ভাইকে কাঠের চৌকি বসিয়ে তিলক পরাবেন। চেয়ার বা দাঁড়িয়ে কখনোই ভাইকে মঙ্গলের ফোঁটা দেবেন না। এটি কিন্তু খুব অশুভ বলে মনে করা হয়।
- দাদার মঙ্গল কামনায় মানুন এই টিপসগুলি
- ভাইফোঁটার সময় আপনি ভাইয়ের কব্জিতে যখন মঙ্গলের সুতো বাঁধবেন, তখন কিন্তু অবশ্যই সেই সুতো ঠাকুরের পায়ে ছুঁয়ে তবেই পরাবেন।
- ভাইকে মঙ্গলের তিলক কিন্তু শুভ সময় পড়াবেন। যেকোনও সময় কিন্তু মঙ্গলের তিলক পড়াবেন না।
- ভাইকে ভাইফোঁটা দিয়ে মিষ্টি খাইয়ে তবেই ভাইয়ের থেকে উপহার নেবেন। তার আগে নেওয়া কিন্তু একদমই ভালো নয়।
- বিশেষ দিনে ভাই বা বোন দুজনেরই কিন্তু মাছ, মাংস খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এদিন নিরামিষ খাওয়া খুব ভালো।
- এদিন ভাইবোন কেউ কাউকে মিথ্যা কথা বলবেন না। ঝগড়া অশান্তি করবেন না। কারণ এটি ভাইবোনেদের বন্ধনের একটি পবিত্র উৎসব।
(এই সকল তথ্য জ্যোতিষ নির্ভর, সকলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নাও হতে পারে)












Click it and Unblock the Notifications