হাতঘড়ি আপনার ভাগ্য বদলাতে পারে! বাস্তু মেনে পরুন ঘড়ি, সাফল্য আসবে দ্রুত
বাস্তু শাস্ত্রের প্রয়োগ করে জীবনে উন্নতি-অর্থ, সুখ-সমৃদ্ধিকে আকর্ষিত করার জন্য বেশ অনেকটাই সফলতা পাওয়া যায়। হাতে ঘড়ি বা রিস্টওয়াচ পরার বাস্তু শাস্ত্রে কিছু নিয়মের কথা বলা হয়েছে। বাস্তুশাস্ত্রে, ঘড়ি, ডায়ালের আকার, কব্জিতে ঘড়ি পরা বা বাধার জন্য স্ট্র্যাপের নকশা-রং ইত্যাদি সম্পর্কে কার্যকর টিপস দেওয়া হয়েছে। এই টিপস বা নিয়মগুলি অনুসরণ করে জীবনে সৌভাগ্য প্রবেশ করা যেতে পারে।

কোন হাতে ঘড়ি পরা উচিত
এমনিতে ডান বা বাঁ হাত যে কোনও হাতেই ঘড়ি পরা যেতে পারে কিন্তু যদি সুবিধা হয় তবে ডান হাতেই ঘড়ি পরুন।

ঘড়ির ডায়াল কেমন হওয়া উচিত
ফ্যাশনের চক্করে খুব বেশি বড় ডায়ালের ঘড়ি পরবেন না। এরকম করলে তা আপনার কেরিয়ারে অনেক ধরনের সমস্যা বা বাধা নিয়ে আসতে পারে। আবার খুব ছোট ডায়ালের ঘড়িও পরবেন না। স্বাভাবিক ডায়ালের ঘড়ি পরাই শুভ বলে মনে করা হয়। এছাড়া ডায়ালের আকার গোল বা চারকোণা হওয়া শুভ হয়। অন্য আকারের ডায়ালের ঘড়ি পরবেন না।

ঘড়ির স্ট্র্যাপ
ঘড়ির স্ট্র্যাপ যেন টাইট হয়, খুব ঢিলেঢালা স্ট্র্যাপ একাগ্রতা কমিয়ে দেয়। কব্জিতে স্ট্র্যাপ যেন একেবারে ফিট হয়ে বসে খেয়াল রাখবেন।

ঘড়ির কী রঙের হওয়া উচিত
সোনালী বা রূপোলী রঙের ঘড়ি সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ কাজ, ইন্টারভিউয়ের দিন সোনালী বা রূপোলী রঙের ঘড়ি পরা উচিত, সেটাই ভালো হবে। মনে রাখবেন কখনও ঘড়ি বালিশের নীচে রেখে শোবেন না। এটি অনিদ্রা সহ বেশ কিছু মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications