একাদশীতে কেন খাওয়া হয় না ভাত! জ্যোতিষমতে নেপথ্যে কোন ঘটনা
একাদশীতে কেন খাওয়া হয় না ভাত! জ্যোতিষমতে নেপথ্যে কোন ঘটনা
শুক্ল ও কৃষ্ণ দুই পক্ষের মধ্যে মাঝের সময়টায় আয়োজিত হয় একাদশী। এই বিশেষ তিথিকে শ্রীবিষ্ণুর দিন হিসাবে ধরে নেওয়া হয়। অই তিথিতে বিষ্ণু পূজা প্রসিদ্ধ রয়েছে। বিভিন্ন বিধি বিধান মেনে এই দিনে বিষ্ণু পুজো আয়োজিত হয়। এর নেপথ্যে রয়েছে একাধিক ঘটনা।

প্রতি মাসে একাদশী আসে ২ বার
প্রতি মাসে একাদশী ২ বার আসে। এমন দিনে শ্রী ভগবান বিষ্ণুর পুজো করা হয়। তাঁর জপ তপ আয়োজিত হয়। শ্রী বিষ্ণুকে পুজো করেল শুভ ফল পাওয়া যায়। যদি তিনি সন্তুষ্ট হন, তাহলে পাওয়া যায় প্রবল শান্তি ও কাঙ্খিত জিনিস। এমন দিনে সাত্ত্বিক আহার করার নিয়ম রয়েছে। ফলে আটা ময়দার খাবার খাওয়া যেতে পারে তবে চাল বা ভাত জাতীয় কিছু খাওয়া যাবে না। এমন দিকে কিছুতেই খাওয়া হয়না চাল। তবে চাল বা ভাত কেন এমন দিনে খাওয়া হয় না, তা নিয়ে রয়েছে বেশ কিছু প্রশ্ন। দেখা যাক এই প্রশ্নগুলির উত্তর।

শরীর ত্যাগের কাহিনি
মা শক্তিকে ক্রোধের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য মহর্ষি মেধা নিজের শরীর ত্যাগ করেন। এরপর তাঁর শরীরের অংশ ধরিত্রীতে পড়ে যায়। যে দিন এই ঘটনা ঘটে , সেদিন ছিল একাদশী তিথি। এরপর মাটির সঙ্গে মিলিয়ে যায় মহর্ষি মেধার দেহ। সই মাটি থেকে ধান গাছ উৎপন্ন হয় বলে শাস্ত্র মতে ধান বা চালকে আমিষ হিসাবে ধরা হয়। শাস্ত্র মতে মনে করা হয়, মহর্ষি মাটিতে মিশে গিয়ে ফের ধান রূপে জন্মগ্রহণ করেন। ফলে নিরামিষ ভোজনের দিন খাওয়া হয়না চাল।

একাদশী ও চাল
এই নিরামিষ ভোজনের নিয়ম ও একাদশী পালনের নিয়ম মেনেই একাদশীর সাত্তিক আহারের মধ্যে কিছুতেই খাওয়া হয় না ভাত। মহর্ষি মেধার কাহিনির কথা মাথায় রেখে চাল খাওয়া থেকে একাদশীতে বিরত রাখা হয় পূ্ণ্যার্থীদের। শাস্ত্রে এমনই নিয়ম বর্ণিত রয়েছে।

অন্য কোন কারণ?
একাদশীতে সাধারণত বেলায় একবার আহারের নিয়ম রয়েছে। ফলে যদি একবার আহারেই ভাল খাওয়া হয়, তাহলে শরীরে জলের পরিমাণ বাড়তে পারে, আর তাতে শরীর তরতাজা থাকে না। ফলে সমস্যা হয়। সেই কারণই একাদশীতে এমন খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।












Click it and Unblock the Notifications