হোলাষ্টক কী, কবে থেকে শুরু হবে, এই সময়ে কোন কাজ করা শুভ, কোনটি অশুভ, জানুন
ছোট থেকে বড় সকলেরই পছন্দের উৎসব হোলি। আর এই উৎসবের জন্য সকলেই সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকেন। রঙে, আবিরে এই বিশেষ দিনে মেতে ওঠেন সকলে। তাছাড়া ওই বিশেষ দিনে রাধা কৃষ্ণের বিশেষ পুজোর আয়োজন করে থাকেন তাঁর ভক্তরা।
প্রতিবছর আড়ম্বরের সঙ্গে এই উৎসব পালন করেন হিন্দুরা। তবে হোলির ঠিক আট দিন আগে আরেকটি উৎসব পালিত হয়। যাকে বলা হয় হোলাষ্টক।

- হোলাষ্টক কী
প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শুক্লাপক্ষের অষ্টমী তিথি থেকে শুরু হয় এই বিশেষ উৎসব। শেষ হয় এই হোলাষ্টকের আট দিনের মাথায়। এই আট দিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই সময়ে এমন অনেক কাজ আছে যা করা খুব শুভ, আবার এমন অনেক কাজ আছে যা একদমই করা উচিত নয়।
- জানুন সময়
চলতি বছরের ফাল্গুন মাসের শুক্ল পক্ষের অষ্টমী তিথি থেকে শুরু হবে এই হোলাষ্টক। শুরু হবে ১৭ মার্চ থেকে, যা শেষ হবে যা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাৎ ২৪ মার্চ। হোলাষ্টকের প্রথম দিন ১৭ মার্চ রবিবার, শেষ হবে ২৪ মার্চ রবিবার।
জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, এই হোলাষ্টক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুভ কাজ না করাই ভালো বলে মনে করা হয়। এতে যে কাজ আপনি করবেন সেই কাজে শুভ ফল পাবেন না। এসময় আপনি দেবতা নাম, জপ করুন। দেবতার সেবা করুন। এতে কিন্তু আপনার জীবনে সফলতা লেগেই থাকবে।
- হোলাষ্টকের সময়ে যে কাজগুলি করা খুব অশুভ
১) হোলাষ্টকের সময় কোনও প্রকার শুভ কাজ করবেন না। তাতে কিন্তু শুভ ফল মেলে না।
২) এই বিশেষ সময় নতুন কোনও বাড়ি তৈরি করবেন না বা বাড়ির গৃহপ্রবেশ করবেন না, গাড়ি কিনবেন না।
৩) সোনা, রুপো, হিরে বা কোন শুভ ধাতু এই সময় না কেনাই ভালো।
৪) জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, এই সময়ে নতুন কোনও ব্যবসা শুরু করবেন না বা ব্যবসায় নতুনভাবে বিনিয়োগ করবেন না।
৫) হোলাষ্টকের সময় বিবাহ না করাই শুভ। বিবাহের শুভ তারিখও ঠিক করবেন না।
যে কাজগুলি করা অত্যন্ত শুভ। এই কাজগুলি করলে আপনার জীবনে সফলতা লেগে থাকবে। আর্থিক দিকেও অনেক উন্নতি হবে। শুধু তাই নয়, ভগবানের বিশেষ কৃপা লেগে থাকবে আপনার ওপর। জানুন কোন কাজ গুলি করবেন।
১) হোলাষ্টকের সময় দেবতার পূজো করুন। নাম ও ধ্যান করুন। দেবতার সেবায় নিজেকে নিযুক্ত রাখুন। তাহলেই দেখবেন আপনার আর্থিক সমস্যা কেটে আপনি উন্নতির মুখ দেখবেন।
২) এসময় আপনি হনুমানজি, বিষ্ণু, নরসিংহদেবের পূজা করুন। তাদের কৃপায় আপনার জীবনে সফলতা লেগে থাকবে।
৩) যদি আপনি ঋণগ্রস্ত হন এবং সেই ঋণ থেকে বের হতে চান ও জীবনে সুখ- সমৃদ্ধি লাভ করতে চান তাহলে এসময় সংযম থাকবেন। ব্রহ্মচর্য পালন করুন। সেই সঙ্গে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী কোনও অভাবী ব্যক্তিকে খাদ্য, কাপড়, অর্থ ইত্যাদি দান করুন। এতে আপনি পূর্ণ ফল পাবেন এবং আপনি ঋণ থেকে দ্রুত বের হতে পারবেন।
(এই সকল তথ্য জ্যোতিষ নির্ভর, সকলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নাও হতে পারে)












Click it and Unblock the Notifications